সন্ত্রাসীদের বইকে ‘জিহাদী বই’ না বলে ‘সন্ত্রাসী বই’ বলতে হবে


অমুসলিম তথা ইসলামবিদ্বেষীদের একটা বড় ধরনের কুট-কৌশল হলো পবিত্র ইসলামের বিভিন্ন বিষয়গুলোকে বিকৃত করা কটাক্ষ করা ও হেয় করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে লেখালেখির মাধ্যমে প্রকাশ করা। তারই একটা ঘৃণ্য উদাহরণ হলো- উগ্র সন্ত্রাসীদের বইগুলোকে ‘সন্ত্রাসী বই’ বলে না বলে ‘জিহাদী বই’ বলে অপপ্রচার করা।
তাদের এহেন অপপ্রচারের কাারণে সূক্ষ্মভাবে মানুষ পবিত্র ইসলামের অন্যতম বুনিয়াদ জিহাদকে হেয় বা কটাক্ষ করে যাচ্ছে। অথচ খোদ পবিত্র কুরআন শরীফেই অসংখ্য পবিত্র আয়াত শরীফেই জিহাদ করার আদেশ-নির্দেশসমূহ বর্ণিত হয়েছে। তাহলে তো বলতে হয় পবিত্র কুরআন শরীফই জিহাদী বই। তাহলে তারা যে অর্থে সন্ত্রাসীদের বইকে জিহাদী বই বলতে চায়, তাহলে কি খোদ পবিত্র কুরআন শরীফ সন্ত্রাসীদের বই? নাউযুবিল্লাহ!
তাই মুসলিম লেখক, সাংবাদিকসহ সকলেরই উচিত সন্ত্রাসবাদী বইগুলোকে ‘জিহাাদী বই’ না বলে ‘সন্ত্রাসী বই’ বলেই উল্লেখ করা। কারণ স্বয়ং পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার সূরা বাকারা শরীফ উনার মধ্যে ১০৪ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন করা নিয়ে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা উনাকে ‘রঈনা’ বলো না, বরং ‘উনযুরনা’ বলো। ‘রঈনা’ শব্দের যেহেতু ভালো ও মন্দ উভয় অর্থ রয়েছে, সেহেতু তা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য ব্যবহার নিষেধ করা হয়েছে। উনার জন্য ‘উনযুরনা’ যেরূপ শুধুমাত্র ভালো অর্থ প্রদান করে, এরূপ শব্দ ব্যবহার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রত্যেক মুসলমানদেরই দায়িত্ব-কর্তব্য প্রতিটি শ্বদ ব্যবহারে অত্যন্ত সতর্ক থাকা, সাবধান থাকা। খেয়াল রাখতে হবে কোনোভাবেই ইচ্ছা-অনিচ্ছায়ও যেনো পবিত্র ইসলাম উনার কোনো বিষয়ে মানহানীকর শব্দ আমাদের দ্বারা ব্যবহৃত না হয়। ওয়ামা তাওফীকী ইল্লাবিল্লাহ। আমীন!

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে