সবর বা ধৈর্যের তিনটি ক্ষেত্র রয়েছে


হাক্বীক্বী মুমিনদের অন্যতম গুণ হল, উনারা প্রচ- ধৈর্যশীল। প্রকৃতপক্ষে দৃঢ় সংকল্প আর মানসিকভাবে শক্তিশালী লোকেরাই কেবল এ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হন। সবর বা ধৈর্যের তিনটি ক্ষেত্রে রয়েছে। যথা-

১. সমস্ত ইবাদত বন্দেগীতে ধৈর্যধারণ।

২. সমস্ত পাপাচার থেকে বাঁচার ক্ষেত্রে ধৈর্যধারণ।

৩. জীবনের বিভিন্ন ঘটনা-দুর্ঘটনা, বিপর্যয় ও দুর্বিপাকে ধৈর্যধারণ।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

وَاصْبِرْ عَلَى مَا أَصَابَكَ إِنَّ ذَلِكَ مِنْ عَزْمِ الْأُمُورِ

অর্থ: “বিপদাপদে ধৈর্যধারণ কর। নিশ্চয় এটা দৃঢ় সংকল্পের বিষয়।” (পবিত্র সূরা লোকমান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭)

প্রকৃত ও হাক্বীক্বী মুমিনগণ সামাজিকভাবে মানুষের সাথে চলাফেরা করেন আর মানুষ উনাকে আচরণে কষ্ট দিলে ধৈর্যের পরিচয় দেন। এ অবস্থায় ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে তার সাথে চলাফেরা-উঠাবসা অব্যাহত রাখা একমাত্র শক্তিশালী মুমিন দ্বারাই সম্ভব।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

عجبا لأمر المؤمن إن أمره كله له خير وليس ذلك لأحد إلا للمؤمن إن أصابته سراء شكر فكان خيراً له وإن أصابته ضراء صبر فكان خيراً له‏

অর্থ: “মুমিনের ব্যাপারটাই আশ্চর্যজনক। উনার প্রতিটি কাজে তার জন্য কল্যাণ রয়েছে। এটা মু’মিন ব্যতীত অন্য কারো জন্য নয়। সুতরাং উনার সুখ এলে মহান আল্লাহ পাক উনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ফলে এটা উনার জন্য কল্যাণময় হয়। আর দুঃখ পৌঁছলে তিনি ধৈর্যধারণ করেন। ফলে এটাও উনার জন্য কল্যাণময় হয়।” (মুসলিম শরীফ, রিয়াদুস ছালেহীন)

মহান আল্লাহ পাক তিনি সবাইকে সমস্ত কাজ ধৈর্যের সাথে করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে