সমস্ত মুসলিমা নারীদের জন্য উম্মুল উমাম আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার মোবারক ছোহবত ইখতিয়ার করা অত্যবাশ্যক।


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য লাভ করার জন্য উসীলা তালাশ কর। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৫)
এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় তাফসীরে রুহুল বয়ান নামক কিতাবে উল্লেখ আছে উসীলা ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য লাভ করা যায় না। আর উক্ত উসীলা হলেন হক্কানী রব্বানী আলিম উলামা, তরীক্বতপন্থী কামিল শায়েখ পীর মুর্শিদগণ।
আর বর্তমান যামানায় সমস্ত মুসলিমা জাতির একমাত্র হিদায়েতের মহান মাধ্যম ও খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নৈকট্য লাভের মহান উসীলা হলেন- হক্কানী আলীমা সাইয়্যিদাতুন নিসা, ফকীহাতুন নিসা, নূরে জাহান,আওলাদে রসুল উম্মুল উমাম আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম। যিনি উনার মুবারক ছোহবত দান করে সমস্ত নারী জাতিকে চরম পরম লাঞ্ছনা-গঞ্জনার হাত থেকে বাঁচিয়ে হিদায়েতের দিক নির্দেশনা দিয়ে জাহির বাতিন, জিসমানী, রূহানীভাবে পরিশুদ্ধ করে তাদের জীবনকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার রঙে রঙিন করে সকলকে ধন্য করছেন। মূলত, উনার মুবারক ছোহবতে আসা ব্যতীত কোনো নারীই হাক্বীক্বী আল্লাহওয়ালী তথা তার ভিতর বাহির পরিশুদ্ধ করতে পারবে না, কাজেই সমস্ত নারী জাতির জন্য অত্যাবশ্যক হলো আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার বরকতপূর্ণ, রহমতপূর্ণ ছোহবত ইখতিয়ার উনাকে লাজিম করে নেয়া। পাশাপাশি তাদের ইজ্জত-সম্মান তাদের অধিকার তাদের ঈমান আক্বীদা আমলকে শুদ্ধ করে হাক্বীক্বী আল্লাহওয়ালী হওয়া।
কাজেই সমস্ত নারী জাতিরা যেন উম্মুল উমাম আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক ছোহবত ইখতিয়ার করার মাধ্যমে হাক্বীক্বী ঈমানদার আমলদার হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে পারে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে