সমাজতান্ত্রিক বাস্তবতা – উৎস সন্ধানে – অনুপম বক্তব্য


অনিবার্যভাবে মানবসমাজের বিবর্তনের ধারায় এই শিল্পরূপ পরিবর্তিত হয়েছে। শ্রমের বিভাগ আর শ্রেণী সমাজের বিকাশের মধ্যেই রয়েছে শিল্পকলার বিবর্তনের ইতিহাস। আর তার শিল্পরূপ, পদ্ধতির অনুক্রমণ।
সুতরাং স্বাভাবিকভাবে শিল্পীকে স্বীকার করে নিতে হবে যে, তার সামাজিক ভূমিকা দ্বিবিধ। একটা সমাজ তার ওপর যে অভিজ্ঞতা, যে সামাজিক ক্রিয়াপ্রক্রিকায় ছাপ ফেলে, আর একটা শিল্পীর আপন অভিজ্ঞতা সঞ্জাত। এভাবেই তার নিজস্ব সামাজিক চেতনা গড়ে ওঠে। শিল্পকলার বিভিন্ন শাখা সাহিত্য, চিত্রশিল্প, সঙ্গীত ইত্যাদি ক্ষেত্রে সামাজিক টানাপোড়েনের উত্তেজনা আর দ্বান্দিকস্বরূপ তার শিল্প সৃষ্টি উৎস। অর্থাৎ সামাজিক ঘাত-প্রতিঘাত ও তার দ্বান্দিক বিরোধ শিল্পের অন্তর্নিহিত সত্তা। সুতরাং বাস্তবের উপলব্ধির তীব্রতাই শুধু নয়, তার বিষয়নিষ্ঠ স্বরূপ থেকে শিল্পকলার বিকাশ ঘটে।
বিস্তারিত বাংলা ব্লগ
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে