সম্মানিত ছফর মাস উনাকে অশুভ বা কুলক্ষণে মনে করা কুফরী


আইয়ামে জাহিলিয়াত বা অন্ধকার যুগে সম্মানিত ছফর শরীফ মাস উনাকে অশুভ বা কুলক্ষণে মনে করা হতো। অদ্যবধি কিছু মানুষের মাঝে এই বদধারণার প্রচলন আছে। অথচ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদের এই ভ্রান্ত ধারণা, আক্বীদা বিশ্বাসের মূলোৎপাটন করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لا عدوى ولا هامة ولانوء ولاصفر
অর্থ: “সংক্রামক বা ছোঁয়াচে বলতে কোনো রোগ নেই। পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছু নেই। তারকা উদয় অস্ত যাওয়ার কারণে বৃষ্টি হওয়াও ভিত্তিহীন। আর সম্মানিত ছফর মাস উনার মধ্যে অশুভ বা কুলক্ষণে বলতে কিছু নেই।” (মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ, শরহুস সুন্নাহ)
কাজেই কোনো রোগই সংক্রামক বা ছোঁয়াচে নয়। রোগকে সংক্রামক বা ছোঁয়াছে বলা ও জানা কুফরী।
কেউ কেউ পেঁচা দেখাকে কিংবা পেঁচার ডাককে অশুভ বা কুলক্ষণে মনে করে থাকে। যা সম্পূর্ণ নাজায়িয ও হারাম। পেঁচা এক প্রকার পাখি। সাধারণত দিনের বেলায় চলাচল করতে দেখা যায় না। দিনের শেষে রাতে চলাচল করে বেশির ভাগ সময়। কাজেই দিনের বেলা এই পেঁচা দৃষ্টিগোচর হওয়াকে কুলক্ষণে মনে করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! এটা তাদের একান্ত মনগড়া, ধারণামূলক, কল্পনাপ্রসূত।
কিছু কিছু মানুষ মনে করে তারকার প্রভাবে বৃষ্টি বর্ষিত হয়। তারকা উদয় বা অস্ত্র যাওয়ার সাথে বৃষ্টির সম্পৃক্ততা রয়েছে। এটা তাদের একান্ত মনগড়া কল্পনা প্রসূত শিরকী কথা।
মজুসী, মুশরিক তথা হিন্দু, বৌদ্ধরা মনগড়া, কল্পনা প্রসূত, ধারণামূলক কর্মকা-ের সাথে জড়িত। তাদের সবকিছুই ধারণা-কল্পনা-জল্পনার অন্তর্ভুক্ত। তাদের থেকে এই সব বদ আক্বীদা, ভ্রান্ত ধারণার সূত্রপাত ঘটেছে। যেসব মুসলমান তাদের সাথে সম্পর্ক রাখে, তাদের সাথে উঠা-বসা করে তাদের মাধ্যমে কিছু নামধারী মুসলমানের মধ্যে সেগুলো বিস্তার করেছে। কাজেই ওইসব জল্পনা-কল্পনা, ভ্রান্ত ধারণা থেকে বিরত থাকা সকলের জন্যই ফরয।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে