সম্মানিত দ্বীন ইসলামই একমাত্র নারীদেরকে মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন এবং সকল প্রকার অধিকার প্রদান করেছেন।


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝেই নারীদের সর্বোচ্চ হক্ব ও সম্মান ঘোষিত হয়েছে
সম্মানিত দ্বীন ইসলামই একমাত্র নারীদেরকে মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন এবং
সকল প্রকার অধিকার প্রদান করেছেন।
শুধু তাই নয়, বরং সঠিকভাবে কন্যা সন্তান লালন-পালনের বিনিময় হিসেবে
বেহেশতের ঘোষণা দিয়েছেন।

পিতা-মাতার নিকট সকল সন্তানের অধিকার সমান, ছেলে হোক বা মেয়ে হোক সকলেই সমান এবং মেয়েদেরকে বঞ্চিত রাখা মারাত্মক অপরাধ। সুতরাং যারা কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে যথাযথ হক্ব আদায় করবেন, উনাদের পুরস্কারের বর্ণনা দিয়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তির কন্যা সন্তান রয়েছে আর সে তাকে জাহিলিয়াতের যুগের প্রথা মতো জীবন্ত কবর দেয়নি, তাকে অধিকার প্রদানে হেয় প্রতিপন্ন করেনি এবং পুত্রদেরকে কন্যা সন্তানের উপর প্রাধান্য দেয়নি এমন পিতা-মাতাকে মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। সুবহানাল্লাহ!

তাই কন্যাদেরকে স্নেহ করা ও তাদের ন্যায্য অধিকার প্রদান করা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।
অতীব দুঃখের সাথে বলতে হয় যে, আজকাল প্রগতিবাদীরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে নারী স্বাধীনতার অন্তরায় হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এটা তাদের অজ্ঞতা ও বিদ্বেষেরই ফলশ্রতি।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে