সম্মানিত মুসলমান উনাদের জীবন বিধানে কাফির-মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্বের কোনোই সুযোগ নেই


অনেক মুসলমান আজকাল কথায় কথায় বলে থাকে- ‘আরে বিধর্মীদের সাথে আত্মিক বন্ধুত্ব করলে ক্ষতি কি? কোনো দোষ তো দেখি না। তারা তো আমাদের কোনো ক্ষতি করে না।’ নাউযুবিল্লাহ! এমন কথা যেসব মুসলমান বলে থাকে, দেখা যায়- তারা কেউ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম তথা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের আদেশ নিষেধ সম্পর্কে মোটেও অবগত নয়। এমনকি অবগত হবার কোনো চেষ্টাও করে না। আবার এদেরকে যখন কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের আদেশ-নির্দেশ মুবারক অবগত করিয়ে দেয়া হয়, তখন এরাই আবার বুক বাঁকা করে বলে থাকে- ইসলাম এত কঠোর ধর্ম নয়। অর্থাৎ তারা তখন পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনাকেই অবিশ্বাস করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! দুনিয়ার বদ-তাছির, গাইরুল্লাহর মুহব্বতে এবং পরকাল সম্পর্কে গাফিল হওয়ার কারণেই মুসলমান নামধারী এসব ব্যক্তির এই কঠিন দুরবস্থা! অথচ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কত সুন্দরভাবে ও কত পরিষ্কারভাবে ইরশাদ মুবারক করেছেন- “হে ঈমানদার বান্দাগণ! অর্থাৎ তোমরা যারা ঈমান এনে নিজেদেরকে মুসলমান বলে দাবি করছো, তোমরা মু’মিন মুসলমান ব্যতীত অন্য কারো সাথে বা অন্য কাউকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করো না। তাদের সাথে অন্তরঙ্গ মুহব্বত প্রকাশ করা যাবে না। তারা তোমাদের সর্বপ্রকার ক্ষতিসাধনে কোনোপ্রকার ত্রুটি করবে না। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট হোক এটাই তাদের একান্ত কামনা। এতেই তাদের আনন্দ- এতেই তাদের খুশি।” সুরা আল ইমরান শরীফ-১১৮। মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন এত স্পষ্টভাবে ইরশাদ মুবারক করেছেন তারপরও কিভাবে কাফির, মুশরিক, বিধর্মী ও বিজাতিদের সাথে মুসলমানগণ অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক করার কথা চিন্তা করতে পারে? আসলে এমন চিন্তা করাটাই হবে মারাত্মক কুফরী। মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলিম উম্মাহ উনাদেরকে কাফির-মুশরিকদের বন্ধুত্বের জাল ছিন্ন করার তাওফীক দান করুন। আমীন
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে