সম্মানিত শরীয়তে উনার যেকোনো বিষয় নিয়ে চু-চেরা করা ঈমানহানীর কারণ!


সম্মানিত শরীয়তের যে বিষয়ে যেভাবে বিশ্বাস স্থাপন করতে বলা হয়েছে ক্বিয়ামত পর্যন্ত সেভাবেই বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে,আমল করতে হবে। ব্যতিক্রম করা যাবে না।
এজন্যই ১৪০০ বছর আগে যেভাবে নির্দেশ মুবারক এসেছে,১৪০০ বছর পরও সেই নির্দেশ সেভাবেই বলবৎ থাকবে।কেউ মানুক বা না মানুক।
এটাই সম্মানিত শরীয়তের ফায়সালা। প্রাণীর ছবি তোলা, আকা সর্বাবস্থায়ই হারাম। কেউ তুলে থাকলে,আঁকলে সে যত্তো বড় মুফতি মালানা হোক না কেনো তার জন্য তা কস্মিনকালেও হালাল হয়ে যাবে না,জায়িজ হয়ে যাবে না।
কেননা, সম্মানিত ওহী মুবারকের দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
নতুন করে কোনো কিছু হালাল,হারাম হবে না।
যারা ছবি তোলা জায়িজ ফতোয়া দেয় তাদের উপর কি ওহী নাযিল হয়েছে???????
আহাম্মক কোথাকার!
নিজে আমল করতে পারি না এক বিষয়,কিন্তু ছবি তোলা হারাম অস্বীকার করাটা পুরোপুরিই ভিন্ন বিষয়।
ছবি তোলা হারাম না মানা, মানে হচ্ছে হাদীস শরীফ অস্বীকার করা।
আর যে অস্বীকার করে সে কাফির!
তাকে তিন দিনের মধ্যে তওবা করতে হবে। তা না হলে—
১. সে হজ্জ্ব করলে তা বাতিল হবে
২. বিবাহ করে থাকলে তালাক্ব হয়ে যাবে
৩. তার ওয়ারিসশত্ব বাতিল হয়ে যাবে এবং
৪. এর মধ্যে মারা গেলে অর্থাৎ তওবা না করা অবস্থায় যদি সে মারা যায় তবে তার উপর জানাযা, দাফন কাফনের হুকুম বর্তাবে না। তাকে কুকুর শৃগালের মত মাটি চাপা দিতে হবে।
নাঊযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক যেন সকলকেই ইচ্ছায় অনিচ্ছায় সর্বপ্রকার কুফরী কথা,কাজ,বিশ্বাস থেকে হেফাযত করেন। আমীন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে