সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করবো কিছু বিষয় দ্বারা। সেগুলো হচ্ছে: ভয়-ভীতি, ক্ষুধা দ্বারা এবং মাল, জীবন ও খাদ্যশস্যের ক্ষতি দ্বারা। তবে ধৈর্যশীলদের জন্য সুসংবাদ রয়েছে।”
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে বলা হয়েছে যে, রোগ মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে এসে থাকে। রোগ বা অসুস্থতা দানের কয়েকটি হিকমত রয়েছে। যথা:
১. যাঁরা নেককার বান্দা, উনাদেরকে রোগাক্রান্ত করা হয় উনাদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য
২. যাঁরা সাধারন মু’মিন-মুসলমান কিন্তু ফাসিক বা গুনাহগার, তাদেরকে অসুখ দেয়া হয় তাদের গুনাহ-খতা ক্ষমা করে পবিত্র করার জন্য
৩. আর যারা মুনাফিক, কাফির, মুশরিক ও কঠিন অত্যাচারী তাদেরকে রোগগ্রস্ত করা হয় শাস্তিস্বরূপ।
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলতে কোনো রোগ নেই। ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ আছে বলে বিশ্বাস করা কুফরী। কেননা তা সরাসরি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে অস্বীকার করার নামান্তর। নাউযুবিল্লাহ!
মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ ও মিরকাত শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত আছে, সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলতে কিছু নেই, তারকার (উদয় বা অস্ত যাওয়ার) দ্বারা বৃষ্টি বা কোনো কিছু হওয়া বা না হওয়াও ভিত্তিহীন এবং পবিত্র ছফর শরীফ মাসে অশুভ বলতে কিছু নেই।”
তাই, দেশী-বিদেশী কতিপয় ডাক্তার যাদের আক্বীদা সংক্রান্ত ইলম নাই তারা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, নিপাহ ভাইরাস ইত্যাদি রোগকে ছোঁয়াচে আখ্যায়িত করে থাকে, আসলে অজ্ঞতার কারণেই তা করে থাকে। এজন্য ডাক্তারীসহ যে কোনো হুনুরী জ্ঞান-বিজ্ঞান অর্জন করার পূর্বশর্ত হলো প্রথমে ফরয পরিমাণ দ্বীনী ইলম অর্জন করা।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে