সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ ও পবিত্র তারাবীহ নামায উনাদের সম্মানার্থে লকডাউন তুলে নিয়ে পবিত্র মসজিদগুলো খুলে দেয়া।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে রোযাকে ফরয করেছেন। আর আমি পবিত্র তারাবীহ নামাযকে সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ করেছি।’ সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ফযীলতযুক্ত আমল হচ্ছে পবিত্র তারাবীহ নামায। সুবহানাল্লাহ! যা পুরুষদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে আদায় করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে খুলাফায়ে রাশিদীন, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
তাই, সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ ও পবিত্র তারাবীহ নামায উনাদের সম্মানার্থে লকডাউন তুলে নিয়ে পবিত্র মসজিদগুলো খুলে দেয়া। যাতে করে মুছল্লীরা মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে তারাবীহ নামায আদায় করে পবিত্র রমাদ্বান শরীফের পূর্ণ ফযীলত লাভ করতে পারেন।
– ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার হক্ব ও ফযীলত সম্পর্কে বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার শেষ দিন আমাদের নিকট খুতবা মুবারক দিতেন বা ওয়াজ শরীফ করতেন। (উক্ত খুতবা মুবারক-এ) তিনি বলেন, “হে লোক সকল! নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট এক মহান মাস (মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস) উপস্থিত। যে মাসটি অত্যন্ত বরকতময় এ মাসে এমন একটি মুবারক রাত্র রয়েছে, যা হাজার মাস থেকেও উত্তম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার দিনের বেলায় রোযাকে ফরয করেছেন ও মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার রাত্রি বেলায় পবিত্র ক্বিয়ামুল লাইল অর্থাৎ পবিত্র তারাবীহ নামায উনাকে সুন্নত মুবারক করেছেন। অন্য মাসে একটি ফরয আদায় করলে যে পরিমাণ ফযীলত লাভ করবে মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে একটি নফল করলে সে পরিমাণ ফযীলত লাভ করবে। আর অন্য মাসে সত্তরটি ফরয আদায় করলে যে পরিমাণ ফযীলত লাভ করবে মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে একটি ফরয আদায় করলে সে পরিমাণ ফযীলত লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হলো ছবরের মাস, আর ছবর উনার বিনিময় হলো জান্নাত, এটা সহানুভূতির মাস। এটা এমন মাস, যে মাসে মু’মিনের রিযিক বৃদ্ধি করা হয়। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ফযীলতযুক্ত আমল হচ্ছে পবিত্র তারাবীহ নামায। সুবহানাল্লাহ! যা পুরুষদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে আদায় করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুন্নতে খুলাফায়ে রাশিদীন, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম ও সুন্নতে আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র তারাবীহ নামায উনার ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফে পবিত্র তারাবীহ নামায আদায় করবে, ঈমান ও ইহতিসাবের সাথে মহান আল্লাহ পাক তার পূর্ববর্তী সমস্ত গুনাহ খাতা ক্ষমা করে দিবেন। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাই সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ ও পবিত্র তারাবীহ নামায উনাদের সম্মানার্থে লকডাউন তুলে নিয়ে পবিত্র মসজিদগুলো খুলে দেয়া। যাতে করে মুছল্লীরা মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে তারাবীহ নামায আদায় করে পবিত্র রমাদ্বান শরীফের পূর্ণ ফযীলত লাভ করতে পারেন।
-০-

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে