সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

وَلِلّٰـهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُوْلِهٖ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَلٰكِنَّ الْمُنَافِقِيْنَ لَا يَعْلَمُوْنَ

অর্থ: “সমস্ত ইজ্জত-সম্মানের অধিকারী মহান আল্লাহ তিনি এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, আর মু’মিনগণ উনারা। অথচ মুনাফিকরা তা জানে না।” (পবিত্র সূরা মুনাফিকূন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮)

সকল মর্যাদা-মর্তবা, ইজ্জত-সম্মানের উৎস হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। আর উনাদের সাথে যে সকল মু’মিন, মুসলমান যত বেশি তায়াল্লুক, নিসবত, মুহব্বত, কুরবত যুক্ত উনারা ততবেশি মর্যাদা-মর্তবা, ইজ্জত-সম্মানের অধিকারী। এ বিষয়টি মুনাফিক ও নিফাক বা কপটতার অধিকারীরা জানে না। সে দৃষ্টিকোণ থেকে খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বেমেছাল ও অনন্য। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনার যত তায়াল্লুক, নিছবত, কুরবত, মুহব্বত লাভ করেছন তা ইতোপূর্বে কারো নছীব হয়নি। ইতঃপূর্বে অনেকেই তায়াল্লুক নিসবত কুবরত মুহব্বত লাভ করেছন; কিন্তু উনার মতো নয়। স্বপ্নে, মুরাকাবায় মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে মিছালী ছূরতে সাক্ষাৎ লাভ হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারও সাক্ষাৎ লাভ হয়েছে, অসংখ্যবার। এমনকি জাগ্রত অবস্থায়ও অনেকের সাক্ষাৎ লাভ হয়েছে, কিন্তু তার সংখ্যা নিরুপণ করা গেছে। কিতাবে তার সীমা বর্ণনা করা হয়েছে।

আর খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত ত্বরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সাক্ষাৎ মুবারকের সীমা-পরিসীমা নিরুপণ করা অসম্ভব। তিনি শয়নে, স্বপনে, আহারে, বিহারে প্রতিটি ক্ষণে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনর রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দীদার মুবারক, যিয়ারত মুবারক লাভ করে থাকেন। শুধু এতটুকুই নয়, এমনকি তিনি যেকোনো ব্যক্তিকে যেকোনো মুহূর্তে যিয়ারত মুবারক করিয়ে দিতে পারেন, করিয়ে দিয়ে থাকেন। উনার সকল কাজ-কর্ম, কথা-বার্তা, আচার-আচরণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুমোদিত। খাওয়া, পরা, শিক্ষা-দিক্ষাতেও রয়েছে উনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দিক-নির্দেশনা মুবারক। মা তার শিশু সন্তানকে যেমন প্রতিপালন করেন, তদ্রƒপ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে তরবিয়ত বা প্রতিপালন করেন থাকেন। সুবহানাল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে