সর্বোচ্চ নিয়ামত মুবারক হলেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা স্পষ্টভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে খুশি প্রকাশ করা প্রমাণিত।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
يَسْتَبْشِرُوْنَ بِنِعْمَةٍ مِّنَ اللهِ وَفَضْلٍ وَاَنَّ اللهَ لَا يُضِيْعُ اَجْرَ الْمُؤْمِنِيْنَ
উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অর্থ ওহাবীদের মুরুব্বী মুফতী শফীর তাফসির ‘মা’রেফুল কুরআন’ থেকে হুবুহু উল্লেখ করবো,
অর্থ: “আল্লাহর নেয়ামত ও অনুগ্রহের জন্যে তারা আনন্দ প্রকাশ করে এবং তা এভাবে যে, আল্লাহ, ঈমানদারদের শ্রমফল বিনষ্ট করেন না।” (সূরা আল ইমরান ১৭১)
উপরোক্ত এ অর্থ বিদয়াতীদের আরেক মুরুব্বী মাহিউদ্দীন খানেরও করা। (http://taûil.net/#3:171)
অনেকে বলতে পারেন উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে খুশি হওয়ার কি প্রমাণ আছে? তাদের জবাব হচ্ছে, উপরোক্ত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে একটি শব্দ মুবারক ব্যবহার করা হয়েছে “নিয়ামত”। এই সুমহান নিয়ামত বিষয়ে একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত আছে,
اِنَّـمَا بُعِثْتُ نِعْمَةً
অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি সম্মানিত নিয়ামত হিসাবে প্রেরিত হয়েছি।” (দালায়িলুন নুবুওওয়াত লি আবু নুয়াইম ১ম খন্ড ৪০ পৃষ্ঠা, হাদীছ শরীফ নং ২)
উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ সমন্বয় করে এটা বলা যায়, মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত অর্থাৎ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে আনন্দ বা খুশি প্রকাশ করতে হবে। আর এই আনন্দ বা খুশি প্রকাশ করলে আনন্দ প্রকাশকারীর শ্রমফল বা আমল বিনষ্ট হবে না। অর্থাৎ স্পষ্টই প্রমাণ হলো পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে করতে হবে এবং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করলে সেই আমল কখনো বিনষ্ট হবে না।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে