সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে কারো তুলনা করা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
اِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوا بَعْدَ اِيْـمَانِهِمْ ثُمَّ ازْدَادُوْا كُفْرًا لَّنْ تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْ وَأُولٰـئِكَ هُمُ الضَّالُّوْنَ
অর্থ: নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনার পর কুফরী করে, আর (তাওবা করেনা বরং) কুফরীকে বৃদ্ধি করে কস্মিনকালেও তাদের তওবা কবুল করা হবে না। মূলত এরাই হচ্ছে গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ- ৯০)
উল্লেখ্য যে, মু’মিন- মু’মিনাগণ যদি কুফরী করে এবং কুফরীর উপর ইস্তিকামাত (অবিচল) থাকে, ফলে কুফরী বৃদ্ধি পায়, আর তওবাও করে না বরং কুফরীতে দৃঢ় থাকে তারাই গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট। এ পথভ্রষ্ট বা গোমরাহ লোকদের সংখ্যাই বেশী। এদেরকে মানুষ সহজেই হাতের কাছে পায়, এদেরকে অনুসরন করে, এদেরকে দ্বীনের ধারক বাহক মনে করে থাকে। (নাউযুবিল্লাহ)
এদের কুফরীর একটি দিক হচ্ছে, আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম তথা উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে অন্যান্য মহিলাদের সাথে তুলনা দেয়া। (নাউযুবিল্লাহ) বলতে গেলে সকল লিখকই তাদের লিখনীর মধ্যে, সকল বক্তাই তাদের বক্তব্যে এই কুফরীমুলক কাজটি অবলীলাক্রমে লিখে থাকে, বলে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! যার ফলে তাদের পাঠক ও শ্রোতা সবাই কুফরীতে নিমজ্জিত হয়। নাউযুবিল্লাহ! তারা এমন কথাও বলতে দ্বিধা করেনা যে, সাধারন মহিলাদের মত উনারা নাকি সতীনে সতীনে ঝগড়া করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!! নাউযুবিল্লাহ !!!
এই গোমরা লোকগুলো মহান আল্লাহপাক উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফকেও তোয়াক্কা করে না। (নাউযুবিল্লাহ )
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করে
يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاءِ
অর্থ: হে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্যকোন নারীদের মত নন। (সুবহানাল্লাহ) (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩২)
আর নূরে মজাসসাম হাবীবুল্লহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
نـَحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ لَا يُقَاسُ بِنَا اَحَدٌ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার আহলু বাইত শরীফ আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে কারো তুলনা করবে না। (সুবহানাল্লাহ)
উল্লেখ্য যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মু রূহুল্লাহ হযরত মরিয়ম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاصْطَفَاكِ عَلٰى نِسَاءِ الْعَالَمِيْنَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে সারা আলমের সকল নারীগণের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন (সুবহানাল্লাহ) (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪২)
আর সাইয়্যিদাতুন নিছায়িল আলামীন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মুবারক শানে ইরশাদ মুবারক করলেন-
“হে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম আপনারা অন্য কোন মহিলার মত নন।” (সুবহানাল্লাহ) অর্থাৎ পুরুষ- মহিলা কারো মত আপনারা নন। (সুবহানাল্লাহ )
যেখানে আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন যে, উনারা কারো মত নন। সেখানে যারা উনাদেরকে অন্য কারো সাথে তুলনা দিবে তারা কিভাবে ঈমানদার থাকতে পারবে? যারা উনাদের সাথে তুলনা দিবে তারা কাফির হবে। গোমরাহ বা পথঅভ্রষ্ট হবে। হবে চির জাহান্নাম। (নাউযুবিল্লাহ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি সবাইকে মহান মুজাদ্দিদে আযম মামদুহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক উসিলায় হিফাজত করুন। (আমীন)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে