সাইয়্যিদাতু নিসায়িল ‘আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহললিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা ঊলা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত যাওজুম মুকাররাম সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক


সাইয়্যিদাতু নিসায়িল ‘আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহললিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা ঊলা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত যাওজুম মুকাররাম সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে মানুষ বড়ই বেখবর। কিন্তু আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল মুহাদ্দিছীন মিনাল আউওয়ালীনা ইলাল আখিরীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি কায়িনাতের মাঝে অত্যন্ত বেমেছালভাবে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক তুলে ধরেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “সাইয়্যিদাতু নিসায়িল ‘আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহললিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা ঊলা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত যাওজুম মুকাররাম সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম তিনিও হচ্ছেন মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! কাজইে মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের যতো খুছূছিয়াত বা বৈশিষ্ট্য মুবারক রয়েছে সমস্ত কিছুর অধিকারী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! উনার সাথে সৃষ্টি জগতের কারো তুলন করা যাবে না। তিনি শুধু যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া যত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক রয়েছে সমস্ত কিছুর অধিকারী হচ্ছেন তিনি।” সুবহানাল্লাহ! নিম্নোক্ত ওয়াকিয়া মুবারক থেকেও সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল আছ আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ! যখন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি আবূ জেহেলের কন্যাকে নিসবতে আযীম শরীফ করতে চেয়েছিলেন, তা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার নিকট জানতে পেরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খুতবা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেছিলেন, اَمَّا بَعْدُ اَنْكَحْتُ حَضْرَتْ اَبَا الْعَاصِ بْنَ الرَّبِيْعِ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَحَدَّثَنِـىْ وَصَدَقَنِـىْ وَاِنَّ حَضْرَتْ فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ بِضْعَةٌ مِّنِّـىْ وَاِنِّـىْ اَكْرَهُ اَنْ يَّسُوْءَهَا وَاللهِ لَا تَـجْتَمِعُ بِنْتُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِنْتُ عَدُوِّ اللهِ عِنْدَ رَجُلٍ وَّاحِدٍ فَتَرَكَ حَضْرَتْ عَلِىٌّ عَلَيْهِ السَّلَامُ الْـخِطْبَةَ. অর্থ: “আমি আমার আওলাদ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম উনাকে হযরত আবুল আছ ইবনে রবী আলাইহিস সালাম উনার নিকট নিসবতে আযীম শরীফ দিয়েছি। তিনি আমার সাথে প্রশংসনীয় আচরণ মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি পরম সত্যবাদী এবং এমন একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব মুবারক, যিনি উনার কথা মুবারক রেখেছেন। সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয়ই সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আমার সম্মানিত জিসম মুবারক উনার সম্মানিত গোশত মুবারক উনার একখানা টুকরো মুবারক। আমি উনার কষ্ট বরদাশত করতে পারি না। মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আওলাদ আলাইহাস সালাম এবং উনার শত্রুর কন্যা একজনের নিকট থাকতে পারে না। অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি এই সিদ্ধান্ত পরিত্যাগ করেন।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ ইত্যাদি) সুতরাং এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম উনার প্রতি কত বেমেছাল সন্তুষ্ট ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! তাহলে উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান কতো বেমেছাল, তা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর চিন্তা ও কল্পনার বাইরে। সুবহানাল্লাহ!

 

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে