সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী – ইমামুছ ছালিছ আলাইহিমাস সালাম উনাদের মাধ্যমে ‘রসূলী বংশ মুবারক” জারি রয়েছেন


ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম এবং ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাদের মাধ্যমেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী বংশ মুবারক জারি রয়েছেন-

 

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

انا اعطينك الكوثر

অর্থাৎ ‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাওছার হাদিয়া করেছি।’ (সম্মানিত সূরা কাওছার শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ১)

বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আবনা বা ছাহিবযাদাহ- ইবনু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত ক্বাসিম আলাইহিস সালাম, ইবনু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আছ ছানী সাইয়্যিদুনা হযরত ত্বইয়িব আলাইহিস সালাম ও ইবনু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আছ ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত ত্বাহির আলাইহিস সালাম উনারা শৈশবকালে মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। পরবর্তীতে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক ও রিসালত মুবারক প্রকাশ পাওয়ার পর কাফির, মুশরিক, মুনাফিকরা বলাবলি করতে লাগলো যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশ মুবারক বিস্তার হবে না; কারণ উনার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। আর বংশ বিস্তার হওয়ার জন্য ছেলে সন্তান প্রয়োজন। তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা কাওছার শরীফ’ নাযিল করেন। সেখানে সুসংবাদ দেয়া হলো যে, আমি আপনাকে অধিক ও উত্তম বিষয় হাদিয়া করেছি।

স্মরণীয় যে, পৃথিবীতে মানুষের বংশ জারি হয় ছেলে সন্তানের মাধ্যমে। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী বংশ মুবারক খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে উনার আবনা (ছেলে সন্তান) সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মাধ্যমে কুদরতীভাবে জারি হয়েছে। এ বিষয়টি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ শান ও বৈশিষ্ট্য মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।

এ প্রসঙ্গে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

لكل بنى اب عصبة الا ابنى حضرت فاطمة عليها السلام فانا وليهما وعصبتهما.

অর্থাৎ ‘প্রত্যেক সন্তানের বংশীয় নিসবত পিতার দিক দিয়ে হয়ে থাকে। কিন্তু আমার ছাহিবযাদী সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার দুই ছাহিবযাদা আলাইহিমাস সালাম উনাদের বংশীয় নিছবত আমার মাধ্যমে হয়েছে। আমিই উনাদের অভিভাবক ও আমার সাথেই উনাদের বংশীয় সম্পর্ক।’ সুবহানাল্লাহ! (তবারানী শরীফ)

 

উল্লেখ্য- যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, জামিউল মাক্বাম, জামিউন নিছবত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত পিতা-মাতা আলাইহিমাস সালাম উনাদের দিক থেকে তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মহাসম্মানিত নূরানী বংশ মুবারক উনার মধ্যেম দিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নূরানী বংশ মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত অর্থাৎ তিনি হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ!!!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে