সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ওলীআল্লাহগণ উনাদের সমস্ত ছিফতগুলোর পরিপূর্ণ হিফাজতকারী। সুবহানাল্লাহ!


সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ওলীআল্লাহগণ উনাদের সমস্ত ছিফতগুলোর পরিপূর্ণ হিফাজতকারী। সুবহানাল্লাহ!

হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাাইহিম উনাদের বিশেষ খুছুছিয়ত মবারক হলো; উনারা

প্রথমত, যাহিদ বা দুনিয়া বিরাগী।
২, রগীব বা দায়িমীভাবে আখিরাতমুখী।
৩, নিজের আমল সম্পর্কে সর্বদা সজাগ বা সচেতন।
৪, মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদতে সর্বদা মশগুল।
৫, চরম পর্যায়ের পরহেযগার।
৬, মুসলিম উম্মাহর ইজ্জত ও আবরুর রক্ষায় সতর্ক।
৭, উম্মাহর মাল সম্পদ হিফাযতে অত্যাধিক তৎপর।
৮, উম্মাহকে তিনি নছীহতকারী। সুবহানাল্লাহ!

বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাকে সমস্ত নিয়ামত মুবারক হাদিয়া করেই মহান আল্লাহ পাক যমীনে প্রেরণ করেছেন। তিনি চরম পর্যায়ের যাহিদ বা দুনিয়া বিরাগী। তাইতো এই মুবারক কৈশোরেও নিজেকে তিনি চার দেয়ালের মাঝে আটকে রাখেন। দুনিয়াদারী, হারাম- নাজায়িয, বেপর্দা বেহায়াপনাসহ শরীয়তবিরোধী কোনো কিছু কোনোভাবেই উনাকে স্পর্শ করতে পারে না। রিয়াজত-মাশাক্কাতের পূর্ণ অনুশীলনে তিনি দায়িমীভাবে ব্যাপৃত। যিনি দুনিয়া বিরাগী তিনি তো দায়িমীভাবেই আখিরাতমুখী হবেন, এটাই স্বাভাবিক। সুবহানাল্লাহ ওয়া সুবহানা রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি সর্বোচ্চ পর্যায়ের হুজুরীতে অভ্যস্ত। তিনি উনার আমল মুবারক সম্পর্কে এতোই সচেতন যে, তিনি একটি মুস্তাহাব সুন্নতও কখনো তরক করেন না। অন্যান্য শিশুরা যে বয়সে হৈ হুল্লোড় আর ডানপিটে ভাব প্রকাশ করে থাকে, তিনি উনার সেই বয়স মুবারকে এক বিশেষ গাম্ভীর্যতা প্রকাশ করতেন। অর্থাৎ তিনি একদিকে উনার আমল মুবারক সম্পর্কে অত্যাধিক সচেতন, অপরদিকে মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণ মুবারক এবং নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারক অনুসরণ ও অনুকরণে তিনি দায়িমীভাবে মশগুল। সুবহানাল্লাহ!
আর এমন মহান ব্যক্তিত্ব সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরহেযগার হওয়ার বিষয়টি দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট।

সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি উম্মাহকে সর্বোত্তম নসীহতকারী। রাজারবাগ শরীফ সিলসিলাভুক্ত সকলেই সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার ইলহাম-ইলক্বা সমৃদ্ধ নসীহত মুবারক সম্পর্কে সম্যক অবগত।

হীনম্মন্যতার দরুণ পিছিয়ে পড়া মুসলিম উম্মাহকে আবারো জাগাতে হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার জবানী ও কলমী নসীহত মুবারক সত্যি বেমেছাল।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে মহান ব্যক্তিত্ব উনার আমল দেখলে নেক আমল করার ইচ্ছা জাগে, নসীহত মুবারক শুনলে মহান আল্লাহ পাক উনার কথা স্মরণ হয়, তোমরা উনার অনুসরণ করো।”

এ কথা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে, হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এমনি অজুদ মুবারক, যিনি জামিউছ ছিফত বা সর্বপ্রকার সর্বত্তোম ছিফত বা গুণাবলীর অধিকারী। উনার স্মরণ বান্দাহ-উম্মতকে মহান আল্লাহ পাক উনার, নূরে মুজ্স্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মুজাদ্দিদে আ’যম হাবীবে আযম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাদের স্মরণ, অনুসরণ-অনুকরণে নতুনভাবে উদ্দমী এবং আগ্রহী করে তোলে।

মূলকথা হচ্ছে, বাহরুল উলূম ওয়াল হিকাম, খাযীনুর রহমাহ সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি জামিউছ ছিফত রূপে উসওয়াতুন হাসানাহ। তিনিই ওলীআল্লাহগণ উনাদের সমস্ত ছিফতগুলোর পরিপূর্ণ হিফাজতকারী। সুবহানাল্লাহ! সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- বেশি বেশি উনার আলোচনা মুবারক করা। উনার অনুসরণ-অনুকরণ করা।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে