সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পর সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মুবারক নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যদি মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত অন্য কাউকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতেন, তাহলে সেই সুমহান ব্যক্তিত্বই হতেন সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!


হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি। উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ! উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবরক সম্পর্কে অনেক সম্মানিত আয়াত শরীফ রয়েছে। তিনিই একমাত্র সেই সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক, যাঁর শান সম্মানিত শান মুবারক-এ একই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি তিনখানা সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُوْلُ لِصَاحِبِهِ لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللهَ مَعَنَا.
অর্থঃ “দু’জনের দ্বিতীয়। যখন উনারা সম্মানিত (সাওর) গুহা মুবারক-এ অবস্থান মুবারক করছিলেন, তখন তিনি উনার ছাহিব তথা সঙ্গী, ছাহাবী, খাদিম উনাকে বললেন, আপনি চিন্তিত হবেন না, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সাথে রয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা তাওবা শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ- ৪০)
এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার তিনখানা সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা মুবারক করা হয়েছে- ১. উনাকে দু’জনের দ্বিতীয় বলা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! যদিও নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দ্বিতীয় কেউ নেই। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন খালিক্ব, মালিক, রব হিসেবে একক, তেমনিভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বায়িম মাক্বাম হিসেবে একক। উনার সমকক্ষ কেউ নেই। তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সমস্ত মর্যাদা-মর্তবার, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক রয়েছেন সমস্ত কিছুর মালিক হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! তারপরেও অত্র সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দ্বিতীয় বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রমাণ করে দিলেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার মর্যাদা-মর্তবা হচ্ছে, তিনি শুধু নবী-রসূল নন, এছাড়া সমস্ত মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী। সুবহানাল্লাহ!
২. উনাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছহিব তথা সঙ্গী, খাদিম ও গোলাম বলা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
৩. সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার সাথে মহান আল্লাহ পাক তিনি রয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
আর সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ أَبِىْ الدَّرْدَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ وَلاَ غَرَبَتْ عَلى أَحَدٍ أَفْضَلَ مِنْ حَضْرَتْ أَبِي بَكْرٍ الصديق عَلَيْهِ السَّلَامُ إِلاَّ أَنْ يَكُوْنَ نَبِيٌّ عَلَيْهِ السَّلَامُ.
অর্থঃ “হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এমন কোনো ব্যক্তির উপর সূর্য উদিত হয়নি, অস্তও যায়নি যিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার থেকে শ্রেষ্ঠ হতে পারেন; শুধুমাত্র হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতীত।” অর্থাৎ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ! (ফাদ্বায়িলুছ ছাহাবাহ লিইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি ১/৩৫২, আল মুনতাখব মিন মুসনাদে আব্দ ইবনে হুমাইদ ১/১০১)
অন্য বর্ণনায় এসছে,
مَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ وَلاَ غَرَبَتْ عَلى أَحَدٍ مِّنَ الْمُسْلِمِيْنَ بَعْدَ النَّبِيِّينَ وَالْمُرْسَلِينَ أَفْضَلَ مِنْ أَبِي بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ
অর্থঃ “হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম সালাম উনারা ছাড়া এমন কোনো ব্যক্তির উপর সূর্য উদিত হয়নি, অস্তও যায়নি; যে ব্যক্তি আফদ্বলুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার থেকে শ্রেষ্ঠ।” অর্থাৎ হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পর যিনি দ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি স্বয়ং নিজে বলেন,
حَضْرَتْ اَبُوْ بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ سَيِّدُنَا وَخَيْرُنَا وَأَحَبُّنَا إِلى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم.
অর্থঃ “সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন আমাদের সাইয়্যিদ, আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আমাদের সকলের চেয়ে অধিক প্রিয়।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيْلًا لَاتَّخَذْتُ أَبَا بَكْرٍ خَلِيلًا أَلَا وَإِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيْلُ اللهِ.
অর্থঃ “আমি যদি মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত অন্য কাউকে খলীল তথা বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম, তাহলে সেই মহান ব্যক্তিত্ব মুবারকই হতেন সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম। সাবধান! নিশ্চয়ই আপনাদের যিনি ছহিব (মালিক তথা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার খলীল তথা বন্ধু, হাবীব।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ)
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ بَيْنَا رَأْسُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حِجْرِيْ لَيْلَةٍ ضَاحِيَةٍ إِذْ قُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ هَلْ يَكُوْنُ لِأَحَدٍ مِنَ الْحَسَنَاتِ عَدَدُ نُجُوْمِ السَّمَاءِ قَالَ نَعَمْ حَضْرَتْ عُمَرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ قُلْتُ فَأَيْنَ حَسَنَاتُ حَضْرَتْ أَبِي بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ إِنَّمَا جَمِيْعُ حَسَنَاتِ حَضْرَتْ عُمَرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ كَحَسَنَةٍ وَاحِدَةٍ مِنْ حَسَنَاتِ حَضْرَتْ أَبِي بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ.
অর্থঃ ‘উম্মুল মু’মিনী সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক জো¯œা রাতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার সম্মানিত কোল মুবারক-এ সম্মানিত মাথা মুবারক রেখে শুয়ে ছিলেন। আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কারো কি আকাশের তারকার সপরিমাণ নেকী মুবারক রয়েছে? তিনি বললেন, হ্যা, হযরত ফারুক্বে আ’যম হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালাম উনার আকাশের তারকার সমপরিমাণ নেকি মুবারক রয়েছে। সুবহানাল্লাহ! তখন আমি বললাম, তাহলে আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত নেকী মুবারক উনার পরিমাণ কত? জবাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, নিশ্চয়ই সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার জিন্দেগীর সমস্ত নেকী মুবারক হচ্ছে, আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার একখানা সম্মানিত নেকী মুবারক উনার সমান। সুবহানাল্লাহ! (রযীন শরীফ, জামিউল উছূল শরীফ লিইবনে আছীর, মিশকাত শরীফ)
আর তাহচ্ছে, আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর¡ আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত হিজরত মুবারক উনার সময় সম্মানিত সাওর গুহা মুবারক-এ তিন দিন তিন রাত্রি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়ে যেই সম্মানিত নেকী মুবারক অর্জন করেছিলেন, সেই সম্মানিত নেকী মুবারকখানা হচ্ছে, ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার জিন্দেগীর সমস্ত নেকী মুবারক উনার সমান। সুবহানাল্লাহ!
সেটাই সাইয়্যিদুনা হযরত ফরূক্বে আলাইহিস সালাম তিনি প্রায় সময় আফসোস করে বলতেন, আমার সারা জীবন না হয়ে যদি, ওই তিন দিন তিন রাত্রি হতো, যেই তিন দিন তিন রাত্রি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত সাওর গুহা মুবারক-এ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছিলেন, তাহলে তা আমার জন্য অতি উত্তম হতো। সুবহানাল্লাহ!
তাহলে আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার শান-মান মুবারক বেমেছাল সেটা বলার অপেক্ষাই রাখে না। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
قال حضرت عبد الله ابن مسعود رضى الله تعالى عنه لقد قمنا بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم مقاما كنا نهلك فيه لو لا ان الله من علينا بحضرت ابى بكر الصديق عليه السلام.
অর্থঃ “ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার পর আমরা সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম এমন কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হয়েছিলাম যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের উপর যদি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিমুস সালাম উনার মাধ্যমে অনুগ্রহ, দয়া, ইহসান না করতেন, তাহলে আমরা ধ্বংস হয়ে যেতাম।” সুবহানাল্লাহ! (মুছান্নাফে আবী শায়বাহ, ইযলাতুল খফা)
সুতরাং উপরোক্ত দলীলভিত্তিক আলোচনা থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, আফদ্বলুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কত বেমেছাল। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার মুবারক উছীলায় আফদ্বলুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উপলব্ধি করে, উনার অনুসরণ-অনুকরণ করে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার হাক্বীক্বী সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে