সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ, মু’মিন ও মুনাফিক্বদের পার্থক্যকারী


একবার একটা কথা শুনেছিলাম, “১২ই রবীউল আঊয়াল শরীফ আসলেই মু’মিন আর মুনাফিক্বদের পার্থক্য করা যায়।” কথাটা অনেক চিন্তা করে দেখেছি, আসলেও বিষয়টা তাই।

রবীউল আঊয়াল শরীফ নিকটবর্তী হলেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আশিক্ব উম্মতগণ, নতুন উদ্যমে নবীজী উনার ছানা-ছিফতে, ছলাত-ছালামে মশগুল হয়ে যান। তাই দেখে একশ্রেণীর মুসলমান নামধারীদের গায়ে জ্বালা ধরে যায়।

নিজেদের আগাপাশতলা বিদয়াতে ভরপুর; তারা জ্ঞান জাহির করে, ” মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদয়াত!”

হারাম ছবিতে যাদের ফেসবুক সয়লাব, তারা গলা ফাটায়, “হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে কিয়াম করা হারাম!”

সারাদিন যারা ফ্রী খাবার ধান্দা করে, তারা বিদ্রূপ করে, “মীলাদের নামে খালি সিন্নি খাবার ধান্দা!”

শরীয়তের দলীল কয়টি এই জ্ঞানটুকু যাদের নাই তারাই একেকজন মুফতী সেজে ফতওয়া মারতে বসে, “শরীয়তে দুই ঈদ ব্যতীত আর কোন ঈদ নেই!”

এখন আবার এর সাথে যুক্ত হয়েছে আমাদের সরকার। খ্রিস্ট মতবাদ প্রচার করতে আসা ভ্যাটিকান সিটির পোপের নিরাপত্তার অজুহাতে সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে! নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!

সরকারের কাছে তাহলে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চেয়ে পোপের মুহব্বত বেশী হয়ে গেল? অসাম্প্রদায়িকতার নাম দিয়ে মুসলমানদের উপর আর কত যুলুম চলবে?

আজকের এই মহান দিনে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা আর নূরুর রবি আলাইহিস সালাম উনাদের সম্মানার্থে, মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে আমাদের ফরিয়াদ-

যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালনের কর্মসূচী বন্ধ করতে চায়, তাদের কর্মসূচী আপনি বন্ধ করে দিন!

যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনাকে ইহানত করতে চায়, তাদের আপনি অপমানিত করুন!

যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উঠিয়ে দিতে চায়, তাদের আপনি জমীন থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিন!

Views All Time
2
Views Today
4
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে