সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা, খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি বাংলাদেশ তো অবশ্যই; এমনকি সারা পৃথিবীতে, সারা কায়িনাতে সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক প্রতিষ্ঠা করবেনই করবেন। ইনশাআল্লাহ


সম্মানিত ‘খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক কায়িম’ হওয়ার অর্থই হলো পৃথিবীটা জান্নাতে পরিণত হয়ে যাওয়া:
উল্লেখ্য যে, হযরত উমর বিন আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাত্র সোয়া দুই বছর খিলাফতকালে যদি এই অবস্থা হয়ে থাকে যে, সকলে ধনী হয়ে গিয়েছিলো। যাকাত নেয়ার মতো কোনো লোকই অবশিষ্ট ছিলো না। তাহলে যিনি মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি যখন ৩০-৪০ বছর যাবৎ সারা পৃথিবীব্যাপী, সারা কায়িনাতব্যাপী সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক পরিচালনা করবেন, তখন মানুষ কত অধিক সম্পদের অধিকারী হবেন এবং কত বেমেছাল সুখ-শান্তি ও আরাম-আয়েশে থাকবেন, তা চিন্তা-ফিকিরের বিষয়। সুবহানাল্লাহ!

মূলত, তখন এই দেশ ও সারা পৃথিবী হবে, সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার একটি অংশ। সুবহানাল্লাহ!
আর এই জন্যই মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক প্রতিষ্ঠা হওয়ার অর্থই হচ্ছে, দুনিয়াটা জান্নাতে পরিণত হয়ে যাওয়া। সুবহানাল্লাহ!

মূলত, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি যখন এদেশ ও সারা পৃথিবীতে সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক প্রতিষ্ঠা করবেন, তখন এদেশ ও সারা পৃৃথিবী হবে সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার একটি অংশ। তাই তো মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “যদি এই দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা হয়, তাহলে সোনার বাংলাকে স্বর্ণ দ্বারা পরিপূর্ণ করে দেয়া সম্ভব।” সুবহানাল্লাহ!

তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন, “এই দেশে কোনো কিছুর অভাব নেই। অভাব হচ্ছে শুধু ইনসাফগার শাসকের। বাংলাদেশে যে সম্পদ রয়েছে তার যথাযথ ব্যবহার করলে, বাংলাদেশের মানুষ টাকার মধ্যে গড়াগড়ি করতে পারবে, টাকার উপর ঘুমাতে পারবে এবং স্বর্ণের পাত বিছিয়ে তারা শয়ন করতে পারবে।” সুবহানাল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে