সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক (৬১৪)


উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদীজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বিছাল শরীফ
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন,
وَلَا أَن تَنكِحُوا أَزْوَاجَهُ مِن بَعْدِهِ أَبَدًا
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ (বিদায়)-এর পর উনার সঙ্গিনী আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে তোমরা বিয়ে করবে না, তোমাদের জন্য উনাদেরকে বিয়ে করা হারাম।” (সূরা আহযাব : আয়াত শরীফ- ৫৩)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন,
يَا نِسَاء النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاء
অর্থ: “হে নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলিয়াগণ! আপনারা অন্যান্য মহিলাদের মতো নন।” (সূরা আহযাব : আয়াত শরীফ ৩২)
অর্থাৎ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেমন দুনিয়ার অন্য কোনো মানুষের মতো নন, তেমনি উনার আহলিয়া তথা উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাও অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক উনাদেরকে বেমেছাল পূতঃপবিত্রা এবং সুমহান চরিত্র মুবারকের অধিকারিনী করে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খাছ করে সৃষ্টি করেছেন। সে জন্য উনাদের একটি খাছ লক্বব মুবারক হচ্ছে ازواخ مطهرات(আযওয়াজুম মুত্বহারাত) অর্থাৎ পূতঃপবিত্রা আহলিয়া। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন,
إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
অর্থ: “হে (মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার) আহলে বাইত শরীফগণ! মহান আল্লাহ পাক তিনি চান আপনাদের থেকে (সর্বপ্রকার) অপবিত্রতা, অশালীনতা দূর করতে। তিনি আপনাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্রা করতে চান।” (সূরা আহযাব : আয়াত শরীফ ৩৩)
উপরোক্ত আয়াত শরীফ-এর অর্থ এটা নয় যে, আহলে বাইত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে কোনো প্রকার অপবিত্রতা রয়েছে যা থেকে উনাদেরকে পবিত্র করতে হবে। বরং এর অর্থ হচ্ছে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং স্বীয় ভাষায় কুরআন শরীফ-এর মধ্যে উনাদের পবিত্রতার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। যেমন, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নবী-রসূল হিসেবে সৃষ্টি হওয়ার পরও উনাকে দুনিয়াবী জিন্দেগী মুবারক-এ উনার চল্লিশ বছর বয়স মুবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে নবী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে