সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যিন, নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক-ধারাবাহিক।


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যিন, নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক-ধারাবাহিক।
****************************************************************************
পূর্ব প্রকাশিতের পর —
*************************
খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন।

لَقَدْ مَنَّ اللّهُ عَلَى الْمُؤمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولاً مِّنْ أَنفُسِهِمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُواْ مِن قَبْلُ لَفِي ضَلالٍ مُّبِينٍ
আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের মধ্য থেকে একজন রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য উনার (মহান রব তায়ালা উনার) আয়াতসমূহ পাঠ করেন। তাদেরকে পরিশোধন করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও কাজের কথা শিক্ষা দেন। বস্তুতঃ তারা ছিল পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট।(সম্মানিত সুরা আল-ইমরান শরীফ সম্মানিত আয়াত শরীফ ১৬৪।

আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিকভাবে নুবুওওয়াত প্রকাশ ও এতদসম্পর্কিত মু’জিযা শরীফ

فجهرنى ما رأيت فاقبلت أريد عميد القوم، فعرف رجل الذى بى، فقال أمامك، وإذا شيخ كأن فى خديه الأساريع، وكأن الشعرى توقد من جبينه، قد لاث على رأسه عمامة سوداء قد أبرز من ملائها جمة فينانة كأنها سماسم. قال فى بعض الروايات تحته كرسى سماسم- ومن دونها نمرقة بيده قضيب متخصر به حوله مشايخ جلس نواكس الأذقان مامنهم أحد يفيض بكلمة. وقد كان نمر إلى خبر من أخبار الشام أن النبى الأمى صلى الله عليه وسلم هذا أوان نجومه، فلما رأيته ظننته ذلك. فقلت السلام عليك يارسول الله صلى الله عليه وسلم. فقال مهمه، كلا وكأن قد وليتنى إياه فقلت من هذا الشيخ؟ فقالوا هذا أبو نضلة، هذا هاشم بن عبد مناف، فوليت وأنا أقول هذا والله المجد لامجد ال جفنة- يعنى ملوك عرب الشام من غسان كان يقال لهم ال جفنة- وهذه الوظيفة التى حكاها عن هاشم هى الرفادة يعنى إطعام الحجيج زمن الموسم.

আমি সরদারের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে এগিয়ে গেলাম। আমাকে আমার এক সঙ্গী চিনে ফেলেন। সে বলল, আপনি সামনে এগিয়ে যান। সামনে এগিয়ে গিয়ে একজন প্রবীণ ব্যক্তিকে দেখতে পেলাম। লোকটির দু’চোয়াল দাগে ভরা। ব্যক্তিত্বের জ্যোতি যেন তার দুই কপাল থেকে ঠিকরে পড়ছে। মাথায় উনার কালো পাগড়ি। পাগড়ির পাশ দিয়ে কালো চুল দেখা যাচ্ছিলো। আর হাতে একটি লাঠি। উনার চারপাশে আরো কয়েকজন প্রবীণ লোক উপবিষ্ট। উনারা সকলেই নীরব। সিরিয়া থেকে আসা একটি সংবাদের প্রতি উনাদের সকলের দৃষ্টি নিবদ্ধ। সংবাদটি হলো, সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যিনি মূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্যাবিয়্যিন, নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূর মুবারক উদয়ের এটি সময়। প্রবীণ লোকটিকে দেখে আমি ভাবলাম, ইনি বুঝি তিনি। তাই আমি বললাম, ‘আসসালামু আলাইকা ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি বললেন- না, না, আমি না। তুমি আমাকে নবী বানিয়ে ফেললে। বিব্রত হয়ে আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি তাহলে কে? পাশের লোকেরা জবাব দিলেন, ইনি আবু নাজলাহ অর্থাৎ হাশিম ইবনে আবদে মানাফ। আমি বললাম, মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! ইনি নিশ্চয়ই সিরিয়ার গাসসানের নয়; বরং আরবের কোনো সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি হবেন। উল্লেখ্য যে, হাশিম ইবনে আবদে মানাফের যে মেহমানদারির কাহিনী বর্ণনা করা হলো, তা ছিলো ‘রিফাদাহ’ তথা হজ্জের মাসে হাজীদের আপ্যায়ন মেহমানদারী।” (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ২য় জিলদ ৩১৬ ও ৩১৭ পৃষ্ঠা)
(ইনশাআল্লাহ চলবে)

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে