সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী দান করা উচিত ॥ কেননা দানের মাধ্যমে সুউচ্চ মাক্বাম হাছিল হয়


ফরয-ওয়াজিব দান-ছদকা, যেমন- যাকাত, উশর, ছদাকাতুল ফিতর, মানত, ফিদিয়া, কাফফারা ইত্যাদি আদায় না করলে শাস্তি অবধারিত। এছাড়া পরকালীন নিয়ামত, মর্যাদা-মর্তবা, সম্মান হাছিল করতে হলে অতিরিক্ত দান ছদক্বা করা আবশ্যক। এই দানের প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে বহু আদেশ নির্দেশ মুবারক বর্ণিত হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মারফত জানা যায়, কোনো কিছু দান করলে তা দশগুণ থেকে সাত শতগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়ে থাকে। এছাড়া অবস্থা বা ইখলাছ অনুযায়ী আরো অনেক বেশি নেকী লাভ করতে পারে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সখী বা দানশীল ব্যক্তিকে হাবীবুল্লাহ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার প্রিয় বলে ঘোষণা করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! পক্ষান্তরে বখীল বা কৃপণ ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু বলে ঘোষণা করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
উল্লেখ্য, নেককার হোক কিংবা বদকার বা পাপী হোক প্রত্যেকেই তার আমলের প্রতিদান লাভ করবে। আর দান-ছদকা দ্বারা সন্তুষ্টি রেযামন্দী মুবারক উনার সুউচ্চ মাক্বাম হাছিল হয়। তাই বলা হয়েছে, ছদকা হচ্ছে সৌভাগ্যের নিদর্শন। ছদকাকারী ক্বিয়ামতের দিন দান-ছদকার ছায়াতলে অবস্থান করবে। বর্ণিত রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ছদক্বাগুলি বৃদ্ধি করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তা বিরাট পাহাড়ের ন্যায় ছদকাকারীর সামনে উপস্থিত হবে। সুবহানাল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে