সাবধান! আপনার সন্তানকেও দূরে রাখুন- পূজার মূর্তিগুলো দেখলে মুসলিম সন্তানের ঈমানের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে


হিন্দুরা এক সময় তাদের নির্দিষ্ট মন্দিরে পূজা করলেও ইদানীং তাদেরকে বিভিন্ন রাস্তাঘাটে অলিগলিতে, স্কুল-কলেজের মাঠে ও বাজারে প্রকাশ্যে পূজামন্ডপ করতে দেখা যায়। যে কারণে দেখা যায় ইচ্ছা-অনিচ্ছায় মুসলমানদের অনেকেই সে সব পুজামন্ডপে যায়। এমনকি অনেকে তাদের শিশুদেরও সেখানে নিয়ে যায়। অথবা দেখা যায় স্কুল-কলেজে আসা যাওয়ার সময় মুসলমান ছাত্র-ছাত্রীদের দৃষ্টিতে সেগুলো পড়ে যায়। আবার স্কুল-কলেজের মাঠে বা আশেপাশে পুজামন্ডপ হওয়ায় ব্যপারটি আরো বেশি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চলে গেছে।

এই হিন্দুদের যতগুলো পূজা আছে তার প্রত্যেকটির পিছনে যেমন অশ্লীল ইতিহাস বা প্রেক্ষাপট আছে, তেমনিভাবে মূর্তিগুলোকেও অশ্লীল অবয়ব দিয়ে ও ভয়ঙ্করভাবে তৈরি করা হয়। যেমন- কালীমূর্তিতে থাকে অত্যন্ত বিদঘুটে চেহারার এক নারী। যার এক হাতে রক্তাক্ত ছোরা ও আরেক হাতে থাকে রক্তাক্ত ও কাটা একটি মুন্ডু। আবার দূর্গাপূজার কথিত দেবীকেও অশ্লীল ও বেহায়া অবয়ব দিয়ে তৈরি করা হয়। এ মূর্তিটিরও পায়ের নিচে একজন পুরুষের মূর্তিকে পদদলিত করার মারাত্মক ভয়ংকর দৃশ্য দেখানো হয়। তাছাড়া শিব লিঙ্গ পূজা, ভাইফোঁটা পূজার মতো আরো নানারকম অশ্লীল ও অসামাজিক পূজাতো রয়েছেই।

পাঠক! আপনি অত্যন্ত গভীরভাবে ফিকির করুন, চিন্তা করুন- আপনার ও আপনার কচিমনের কোমলমতি ঈমানদার শিশুকে এসব পূজাতে নিয়ে যাওয়া এবং এসব মূর্তির মুখোমুখি করা কি কখনো ভালো হবে? না-কি মন্দ হবে? অবশ্যই তা তার ঈমানের উপর, মন-মগজ ও মস্তিষ্কে বিরূপ ও নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করবে। তাই এ ধরনের পূজামন্ডপ থেকে নিজেও দূরে থাকুন, আপনার সন্তানসহ আপনার পরিবারের সবাইকে এ থেকে বহুদূরে রাখুন। সতর্ক থাকতে হবে- কোনোভাবেই যেন হিন্দু মুশরিকদের কোন বদতাছীর, কুপ্রভাব আমাদের মুসলিমদের মধ্যে না আসে, না থাকে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি তো ঘোষণা মুবারক করেই দিয়েছেন- “নিশ্চয়ই মুশরিক তথা মূর্তিপূজারীরা অপবিত্র/নাপাক।”
তাই তাদের সর্বপ্রকার অপবিত্র কর্মকা- থেকে দূরে থাকা আমাদের জন্য ফরয।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে