সারাবিশ্বের শাসকবর্গের জন্য অনুসরণীয় কে?


আসমানে এমন কোনো ফেরেশতা নেই যে হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম উনাকে সম্মান করে না,আর যমীনে এমন কোনো শয়তান নেই যে হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম উনাকে ভয় করে না।সুবহানাল্লাহ্‌!
আজ যেহেতু উনার সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের দিবস অতিবাহিত হলো তাই এ বিশেষ দিনে উনাকে বিশেষভাবে স্মরন করা…
হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম উনাকে শয়তান ভয় করতো বলেই উনার যামানা ছিলো ফিতনা মুক্ত যামানা। বেমেছাল ইনসাফের নিদর্শন তিনি দুনিয়ার যমীনে রেখে গিয়েছেন।
যদি ফোরাতের তীরে একটি কুকুরকেও না খেয়ে থাকতে হয় তবে আমি হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালামকে তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে-এ উক্তি এটাই প্রমাণ করে যে সম্মানিত খিলাফতের অধীনে সমস্ত প্রাণীর প্রতি তিনি কতোখানি দায়িত্বশীল এবং যত্নবান ছিলেন ! আর সেই সাথে এটাও বুঝা যায় যে, শাসকবর্গকে কতোখানি দায়িত্বশীল হতে হয় তার অধীনস্থদের ক্ষেত্রে!
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শাসকদের উচিত আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম উনাকে পূর্ণ অনুসরণ করা।
হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম তিনি যমীনের প্রতিও ইনসাফ করেছিলেন,আর এজন্যই যখন একবার ভূমিকম্প হয়েছিলো উনি যমীনে দোররা মেরেছিলেন এবং বলেছিলেন,”আমি কি তোমার প্রতি ইনসাফ করিনি?তুমি কাঁপছ কেন?” যমীনের কম্পন থেমে গিয়েছিলো। উনি যথার্থ ইনসাফগার ছিলেন এবং ইনসাফ করতে পেরেছেন কিনা সেই চিন্তা যে উনার মধ্যে ছিলো সেটাও শেষসময়ে প্রকাশিত হয়েছিলো…২৪শে জিলহজ্ব মজুসী আবু লুলু যখন ছুরিকাঘাত করে তখন হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম জানতে চেয়েছিলেন যে ,কে ছুরিকাঘাত করেছে? যখন জানানো হলো মজুসীর কথা তখন তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন যে,কোনো মুসলমান যে উনাকে শহীদ করেনি।অর্থাৎ উনি ইনসাফ করতে পেরেছেন।সুবহানাল্লাহ্‌!
উনি সবসময়েই মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে মদীনা শরীফে শহীদ হওয়ার জন্য দোয়া করতেন । পবিত্র ২৭শে জিলহজ্ব ,ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) তিনি পবিত্র মদীনা শরীফেই ৬৩বছর বয়স মুবারকে শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
মহান আল্লাহ পাক যেনো আমাদের সকলকেই হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে আমাদের গুনাহসমুহ ক্ষমা করে কবুল করেন।আমীন।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে