সাহিত্য সম্রাট নামে খ্যাত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত মুসলিম বিদ্বেষী


মুসলমান হিন্দু সকলেই আজ একমত যে বঙ্কিমচন্দ্র হচ্ছে সাহিত্য সম্রাট, আমরাও তেমন পড়েছি। ইংরেজরা তাকে CIE(companion of the indian empire) উপাধিতে ভূষিত করেছে। তার অন্যান্য উপাধির মধ্যে ঋষিও একটি (মানে যে নিরপেক্ষ, অসাম্প্রদায়িক, বর্ণ-ধর্ম নির্বিশেষে পরোপকারী ইত্যাদি) ।
চলুন দেখি তার লেখনী পড়ে সে সাম্প্রদায়িতার দোষে দুষ্ট নাকি অসাম্প্রদায়িকতার গুনে পরিপুষ্ট।
মুসলমান জাতির উপর তার কি ধরনের তা নিম্নরুপ,
‘ঢাকাতে দুই চারিদিন বাস করিলেই তিনটি বস্তু দর্শকের নয়ন পথের পথিক হইবে- কাক, কুকুর এবং মুসলমান। এই তিনটিই সমভাবে কলহপ্রিয়, অতিদুর্দ্দম, অজেয়।”
অন্য একটি বইতে দাড়িওয়ালা মুসলমানদের হেয় করে লিখেছে,
‘ভারতবর্ষে নগরে নগরে কংগ্রেসের দোষোদ্ঘাটন উপলক্ষে শ্বেত কৃ্ষ্ণ হরিৎ কপিশ নানা বর্ণের দাড়ি এককত্রিত হইয়া বহুধা আন্দোলিত…হইয়াছিল। সেই সকল ছিন্ন অছিন্ন এবং বিচ্ছিন্ন শ্মশ্রুরাজির গতি, প্রত্রিয়া, বেগ আবেগ , সদ্বেগ ও উদ্বেগ সন্দর্শনের ভারতবর্ষে এই সিদ্ধান্ত হইয়াছিল যে, মুসলমান কংগ্রেসে আসিতে চাহে না।… এক্ষুণে শুনিতেছি চাচাদিগের কোনই দোষ নাই। তারা সম্পূর্ণ স্বাধীন নহেন। বালক কলের পুতুল লইয়া খেলা করে দেখিয়াছি। সেগুলির কল টিপিলেই দাড়ি নাড়ে শুনিয়াছি।পাহাড়ে বসিয়া বড় বড় লোকে নাকি কল টিপিতেছে, তাই ইহারা দাড়ি নাড়িতেছেন।

যারা ইতিহাস জানেন বা পড়েন তাদের অবশ্যই বুঝার কথা পূর্বে ইংরেজরা CIE খেতাবটি সরকারের কোন শ্রেনীর লোকদের দিত। যারা ইংরেজদের তোষামদ করতো এবং দালালী ও পদলেহন করতো তারাই খেতাব পেত।তার জীবনকাল সমীক্ষা করলেই দেখা যাবে, ইংরেজদের করুণায় অথবা ক্রোধরোষে তার কতটা উন্নতি বা অবনতি হয়েছে। আফসোস! এর মত মুসলিম বিদ্বেষী ইংরেজদের দালালকে সাহিত্য সম্রাট বলা হয়, বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশের স্কুল-কলেজে তার সাহিত্য চর্চা করা হয়। অথচ উচিত ছিল, তার রচনা সমগ্র বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে