সিলেবাস থেকে ‘চারু ও কারুকলা’ বিষয়টি বাদ দিতে হবে


এনসিটিবি কর্তৃক প্রণীত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পাঠ্যপুস্তকের বিষয় তালিকার মধ্যে একটি বিষয় রয়েছে ‘চারু ও কারুকলা’। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে নবম-দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এ বিষয়টি পড়তে বাধ্য হচ্ছে। চারু ও কারুকলা বিষয়টির মূল-ই হচ্ছে ছবি আঁকা, নকশা অঙ্কন, পুতুল, মূর্তি, ভাস্কর্য, ফলক ইত্যাদি তৈরি শিক্ষা, নাট্যকলা, লোকশিল্প, কারুশিল্প ইত্যাদি বিষয় নিয়ে। এ বিষয়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে পুতুল, প্রাণীর মূর্তি, লক্ষীসরা, জলরং, মজুসী, মুশরিকদের বিভিন্ন উৎসব যেমন- পহেলা বৈশাখ, পৌষ সংক্রান্তি, রথযাত্রা, মঙ্গল শোভাযাত্রা, বর্ষবরণ, ব্রত, ব্রতচারী, ব্রতচারীদের জীবনী, পূজা অনুষ্ঠান ইত্যাদি।

৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে মুসলিম শিক্ষার্থীদের প্রাণীর ছবি আঁকা, মূর্তি, ভাস্কর্য তৈরির মতো এসব হারাম বিষয় শিক্ষা দেয়ার জন্য আলাদাভাবে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করার অর্থ হচ্ছে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উনাকে ও ৯৮ ভাগ মুসলমানদের বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করা। কেননা এর মাধ্যমে একজন মুসলিম শিক্ষার্থীকে শৈশবকাল থেকে হারামের প্রতি আকৃষ্ট করে হারাম পেশা ও নেশা তার চেতনায় বদ্ধমূল করে দেয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর মন মগজে শিল্পের নামে বিধর্মীদের অপসংস্কৃতির চর্চা ও এর অনুকুলে চেতনা প্রবেশ করানোর পাঁয়তারা করা হয়েছে।

সুতরাং এনসিটিবি কর্তৃক সকল শ্রেণী থেকে চারু ও কারুকলা বিষয়টি পাঠ্যপুস্তক থেকে বাদ দিতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে