সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় উগ্রবাদী বিধর্মীদের অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে এবং তাদের চোরাচালান বন্ধ করতে বাংলাদেশ সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে। বাংলাদেশে অবৈধভাবে বসবাসকারী ভারতীয়দের গ্রেফতার করে ফেরত পাঠাতে হবে


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের অত্যন্ত দয়া ইহসানে বাংলাদেশে বাৎসরিক প্রায় শত শত কোটি টন খাদ্য উৎপাদন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার জন্য বাৎসরিক প্রায় ৭ কোটি টন খাদ্য হলেই যথেষ্ট। বাংলাদেশের বাকি বিশাল খাদ্যভান্ডার চোরাইপথে প্রতিবেশী উগ্রবাদী বিধর্মী রাষ্ট্র ভারতে পাচার হয়ে যায়। বাংলাদেশের এই বিশাল খাদ্যভান্ডার দিয়ে ভারত তাদের খাদ্য চাহিদা পূরণ করে অবশিষ্ট বাংলাদেশী খাদ্যগুলিমধ্যেপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলিতে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রিকরে। বাংলাদেশের এই বিশাল খাদ্যভান্ডার ভারতে পাচার বন্ধ করে আমরা সরাসরি বাংলাদেশ থেকে যদি মধ্যেপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলিতে রফতানী করি, তাহলে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে আরো অনেক শক্তিশালী হবে। তারপর চোরাইপথে প্রতিদিন হাজার হাজার ভারতীয় বিধর্মী অবৈধভাবেবাংলাদেশে প্রবেশ করে বাংলাদেশের চাকুরির বিশাল বাজার দখল করে নিচ্ছে এবং বিভিন্ন রকম অপরাধমূলক কর্মকা- করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন হাজার-হাজার কোটি টাকার ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হিরোইন, গাঁজাসহ আাে অনেক প্রকারে মাদকদ্রব্য ভারতীয় বিধর্মীরা বাংলাদেশে পাচার করে যাচ্ছে। যার ফলে আমাদের মুসলিম যুবকরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে এবং আমাদের দেশের কোটি কোটি টাকা ভারতে চলে যাচ্ছে। উগ্রবাদী বিধর্মীরা ভারতে বসে বাংলাদেশী জাল টাকা ছাপিয়ে সীমান্ত দিয়ে চোরাইপথে জাল টাকা বাংলাদেশে পাচার করছে। যার ফলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভারতের উগ্রবাদী বিধর্মীরা চোরাইপথে তাদের দেশের রোগ, অসুস্থ গরু বাংলাদেশে পাচার করে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি বাংলাদেশী টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ সীমান্ত দিয়ে চোরাইপথে ভারতীয় রোগ অসুস্থ গরুপাচার বন্ধ করে আমাদের দেশে পর্যাপ্ত গরু খামার করলে বছরে আমাদের জাতীয় জাতীয় রিজার্ভে অনেক বেশি টাকা জামা থাকবে। উপরোক্ত সমস্ত বিষয় থেকে সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়, আমাদের বাংলাদেশের খাদ্য এবং অর্থের উপর নির্ভর করেই ভারতের অস্তিত্ব টিকে আছে। অথচ ভারতীয় উগ্রবাদী বিধর্মীরা সদাসর্বদা বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে প্রচার-প্রসার করেবর্হিবিশ্বে বাংলাদেশকে খাটো করতে চায়। অর্থাৎ ভারতীয় উগ্রবাদী বিধর্মীরা আমাদের বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করতে চায়। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে আলাদা রাষ্ট্র করার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে উগ্রবাদী ভারতীয় বিধর্মীরা। পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত দিয়ে বিশাল অস্ত্রভান্ডার উপজাতি পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছে চোরাইপথে পাচার করছে ভারতীয় উগ্রবাদী বিধর্মীরা। ভারতীয় উগ্রবাদী বিধর্মীদের থেকে অবৈধ অস্ত্র পেয়ে উপজাতি পাহাড়ি সন্ত্রাসিরা সন্ত্রাসী কর্মকা-চালিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চাচ্ছে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য, বাংলাদেশের বিশাল খাদ্যভান্ডার রক্ষা করার জন্য বাংলাদেশের বিশাল চাকরির বাজার উগ্রবাদী বিধর্মীদের থেকে রক্ষা করার জন্য, বাংলাদেশের মুসলিম যুব সমাজকে ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হিরোইন, গাজাসহ আরো অনেক প্রকারের মাদকদ্রব্যের ক্ষতি থেকে হিফাযত করার জন্য, অসুস্থ ও রোগা গরু বাংলাদেশে প্রবেশ বন্ধ করার জন্য, জাল টাকা বাংলাদেশে প্রবেশ বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশ সীমান্ত সিলগালা করে পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে এবং বাংলাদেশ দেশপ্রেমিকসীমান্তরক্ষী বাহিনীর সম্মানিত সদস্য উনাদের সীমান্তে খুব কড়া নজরদারি রাখতে হবে। যাতে কোনো উগ্রবাদী ভারতীয় বিধর্মীরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে। যেসব লক্ষ লক্ষ উগ্রবাদী ভারতীয় বিধর্মীরা অবৈধভাবে বাংলাদেশে আছে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে ভারতে ফেরত পাঠাতে হবে এবং সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় উগ্রবাদী বিধর্মীদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবং তাদে চোরাচালান বন্ধ করতে বাংলাদেশ সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে।

 

 

 

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে