সুওয়াল: শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার কাছে বা্ইয়াত হওয়া কি ?


DSC00029
উত্তর : সম্মানিত বাইয়াত হওয়া ফরজ।

যিনি খালিক্ব মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনি উনার সম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন مَن يَهْدِ اللَّهُ فَهُوَ الْمُهْتَدِي وَمَن يُضْلِلْ فَلَن تَجِدَ لَهُ وَلِيًّا مُّرْشِدًا অর্থাৎ যে হেদায়েত চায় সে হেদায়েত পায় আর যে গুমরাহের উপর ইস্তিকামত থাকে সে কখনো ওলি মুর্শিদ পায়না। সম্মানিত সুরা কাহাফ শরীফ, সম্মানিত আয়াত শরীফ ১৭।
তার মানে হল কেউ যদি হক্ব তালাশী না হয় সে কখনো ওলী, মুর্শিদ উনাকে পাবে না।
আসুন শুরুতেই সম্মানিত বায়াত বিষয়ে সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন, হাবিবুল্লাহ নূর-ই-মুজাসসাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার কিছু সম্মানিত হাদিস শরীফ বর্ননা করি,
সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন, হাবিবুল্লাহ নূর-ই-মুজাসসাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন।
عن عبد الله بن عمررض قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من خلع يدامن طاعة لقى الله يوم القيامة لاحجة له ومن مات وليس فى عنقه بيعة مات ميتة جاهلية (مسلم شريف ج২ ص ২৮১)
অর্থ : হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন, হাবিবুল্লাহ নূর-ই-মুজাসসাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি খলিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার রাসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন, হাবিবুল্লাহ নূর-ই-মুজাসসাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুকরণ করা থেকে হাত সরিয়ে নিবে, কেয়ামতের দিন তার নাজাতের জন্য কোন দলিল থাকবে না। আর যে ব্যক্তি বাইয়াত গ্রহণ করা ছাড়া মৃত্যুবরণ করবে তার মৃত্যু জাহেলী যুগের বেঈমানদের মত হবে। নাউযুবিল্লাহ।(মুসলিম শরিফ ২ খ. ১২৮ পৃ.)
অন্য হাদিছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ومن بايع إماماً فأعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه ما استطاع فإن جاء آخر ينازعه فاضربوا عنق الآخر (مسلم شريف ج২ ص ৬২১ رقم الحديث ১৮৫২)
অর্থ : সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন, হাবিবুল্লাহ নূর-ই-মুজাসসাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি অন্তরের বিশ্বাসের সাথে কোন শায়েখের হাতে বাইয়াত হন, তিনি যেন যথাসম্ভব তার শায়েখের কথা মান্য করে চলেন। যদি অন্য কেউ তার সে বাইয়াতকে ভঙ্গ করাতে চায়, তাহলে তার গর্দান উড়িয়ে দিন। (মুসলিম শরিফ ২ খ. ৬২১ পৃ. হাদীস নং ১৮৫২)
আরও ইরশাদ মুবারক হয়েছেন।
عن عمرو بن العاص رض قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من بايع اماما فاعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه ان استطاع (مسلم شريف ج২ ص৬২১)
অর্থ : হযরত আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন, হাবিবুল্লাহ নূর-ই-মুজাসসাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি কোন শায়েখের হাতে বাইয়াত হবে। সে যেন এর অঙ্গীকারও পূর্ণ করতে থাকে এবং অন্তর দ্বারা পীর সাহেব বা শায়েখকে ভালবাসতে থাকে। আর যথা সম্ভব শায়েখের অনুকরণ ও অনুসরণ করতে থাকে। (মুসলিম শরিফ ২ খ. ১২৬ পৃ.)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে