সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদ-এ দেশের সর্বপ্রথম পবিত্র ঈদুল আযহার জামায়াত ॥ * সময় সকাল ০৬.২৫ মিনিট


আগামী ইয়াওমুস সাবতি বা শনিবার পবিত্র ঈদুল আযহা। যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার মুজাদ্দিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্ সুন্নাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ইমামতিতে দেশের প্রথম ঈদুল আযহার নামাযের জামায়াত রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক সকাল ০৬.২৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই নামায নির্দিষ্ট সময়ে পড়া মু’মিন মুসলমানের উপর ফরয করা হয়েছে।”
পাঞ্জেগানা নামাযের ন্যায় ঈদের নামায কোন সময় আদায় করতে হবে; সে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যে, “মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঈদের দিন ফজরের নামায পড়ে হুজরা শরীফ উনার মধ্যে যেতেন এবং সকাল সকাল গোসল করে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন হলে বেজোড় সংখ্যাক (৩, ৫, ৭) খোরমা খেজুর খেয়ে ঈদগাহে যেতেন। আর ঈদুল আযহা উনার দিন হলে কিছু না খেয়ে সরাসরি ঈদগাহে যেতেন এবং ঈদের নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে ঈদের নামায আদায় করতেন। অতঃপর খুতবা দিতেন ও নছীহত করতেন।”
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, “হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আমর ইবনে হাযম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনােেক নজরানের আমীর বা প্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় চিঠি দিয়ে আদেশ করেন যে, ‘পবিত্র ঈদুল আযহা উনার নামায খুব সকাল সকাল পড়বেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার নামায পবিত্র ঈদুল আযহা উনার চেয়ে অল্প একটু দেরিতে পড়বেন এবং নামাযের পরে মানুষকে নছীহত করবেন।’
সূর্য পূর্ণভাবে উদিত হওয়ার পর অর্থাৎ মাকরূহ ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর থেকে অথবা সূর্য উদয়ের শুরু থেকে ঘড়ির মিনিট অনুযায়ী ২৩ মিনিট পর ঈদের নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয়। আর যোহরের নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার ১ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত ঈদের নামাযের ওয়াক্ত থাকে; তারপর মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হয়। সেই মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্বে ঈদের নামায আদায় করতে হবে। মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর ঈদের নামায আদায় করলে তা আদায় হবে না। কাজেই ঈদের নামায সকাল সকাল পড়া সুন্নত। ঈদের নামাযের সম্মানার্থে এবং ঈদের নামায যাতে আদায়ে দেরি না হয়, সেজন্য ঈদের দিন ইশরাকসহ অন্যান্য সকল নফল নামাযসহ সমস্ত নফল ইবাদত করা মাকরূহে তাহরিমী।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি কোন হক্কানী ওলীআল্লাহ উনার পিছনে নামায আদায় করলো, সে যেনো হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পিছনে নামায পড়লো। আর যে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পিছনে নামায আদায় করলো মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে ক্ষমা করে দিবেন।” (সুবহানাল্লাহ)
রাজারবাগ শরীফ-এর পক্ষ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণকে উক্ত জামায়াতে শামিল হওয়ার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে