সুন্নতী বাল্যবিবাহ কুফরকে মিটিয়ে দেয় এবং পরষ্পরের নিকট ‘অর্ধেক ঈমান’ জমা রাখে


মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً ۚ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার অন্যতম নিদর্শন মুবারকগুলোর মধ্যে ‘তিনি আহাল ও আহলিয়াকে একে অন্যের সঙ্গী হিসেবে সৃষ্টি করেছেন যেন তোমরা তাদের নিকট থেকে প্রশান্তি লাভ করতে পারো এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া প্রবিষ্ট করে দিয়েছেন।’ (পবিত্র সূরা রূম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “আহলিয়াগন হচ্ছেন তোমাদের জন্য পোশাকস্বরূপ আর তোমরাও তাদের জন্য পোশাকস্বরূপ।”
‘তোমরা তাদের অভিবাবকদের অনুমতিক্রমে তাদের বিয়ে করো, যথাযথভাবে তাদের মোহর প্রদান করো, যেন তারা বিয়ের দুর্গে সুরক্ষিত হয়ে থাকতে পারে এবং অনৈতিক নিড়িবিলি অবস্থান ও গোপন বন্ধুত্বে লিপ্ত হয়ে না পড়ে।’ (পবিত্র হাদীছ শরীফ)
এছাড়াও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্রাহ হজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যদি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসা কোন মুসলিম যুবকের দ্বীন এবং ব্যবহার বা চরিত্র তোমাকে সন্তুষ্ট করে তাহলে তোমার অধীনস্থ নারীর সাথে তার বিয়ে দাও। এর বিপরীত হলে পৃথিবীতে ফিতনা ও দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়বে।” (তিরমিযি শরীফ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন: “নিকাহ হলো পবিত্র ঈমান উনার অর্ধেক।”
উপরোক্ত পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে প্রমাণিত হয় যে,
পবিত্র ঈমান উনাকে পরিপূর্ণ করার জন্য নিকাহ করা আবশ্যক, যা পরস্পরের ঈমানের অর্ধেক পূরণের জন্য পুরিপূরক। পবিত্র নিকাহ সে হিসেবে ফরয। আর এসব ইবাদতগুলো পালন করাই হলো মুমিনদের জন্য পালনীয় কামিয়াবীর কারন।

Views All Time
2
Views Today
4
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে