সুমহান ও বরকতময় ঐতিহাসিক ১৪ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান মু’জিযাহ শরীফ হিসেবে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার ঐতিহাসিক দিবস। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ক্বিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে, চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে।” সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সেই উম্মতের জন্য আমার মুবারক শাফায়াত ওয়াজিব, যে উম্মত আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করেন।’ সুবহানাল্লাহ!
আজ সুমহান ও বরকতময় ঐতিহাসিক ১৪ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান মু’জিযাহ শরীফ হিসেবে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার ঐতিহাসিক দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়া সম্পর্কিত মু’জিযাহ শরীফ এবং আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা। আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে এ মহান দিবস সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা এবং এ মহান দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
– ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক নবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের ষষ্ঠ বছর পবিত্র ১৪ই যিলহজ্ব শরীফ রাতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইশারা মুবারকে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়ে আছর হতে মাগরিব পর্যন্ত যে পরিমাণ সময়, সে পরিমাণ সময় থরথর করে কাপতে থাকে। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! যা দেখে সারা বিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহে এ সম্পর্কে বর্ণনা থাকায় সারা বিশ্বের মানুষ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক সম্পর্কে জানতে পারে। এমনকি তা দেখে বিশ্বের তৎকালীন অনেক শাসক ঈমান আনে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে লোক পাঠায়, হাদিয়া পাঠায় এবং ঈমান ও দ্বীন ইসলাম স্বীকার করে নেয়। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘ক্বিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। যদি তারা কোন নিদর্শন দেখে, তখন তারা ফিরে যায় এবং বলে এটা বিরাট জাদু।’ নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত আনাস ইবনে মালেক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট মক্কা শরীফবাসী নিদর্শন মুবারক দেখার জন্য আরজী করলো। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করলেন। মানুষ দেখতে পেলো চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়ে হেরা পর্বতের দু’দিকে বিভক্ত হয়ে গেছে। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আমরা মিনায় অবস্থান করছিলাম। তিনি চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করলেন এবং ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনারা স্বাক্ষী থাকুন। তখন চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়ে পর্বতের দু’দিকে বিভক্ত হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, কিতাবু ফাদ্বায়িলিছ ছাহাবা)

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ইচ্ছায় এবং ইশারায় পাহাড়ের কম্পন থেমে যায়, চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হয় এবং সূর্যও তার চলার গতি পরিবর্তন করে। অর্থাৎ, ক্বায়িদুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তাবে’ মালায়িকাহ, আসমান-যমীন, গ্রহ-নক্ষত্র, জামাদাত, শাজারাত, হাজারাতসহ সমস্ত মাখলুকাত এবং সারা কায়িনাত। উনার মুবারক কর্তৃত্ত্ব সারা কায়িনাতের সমস্ত মাখলুকাতের উপর সর্বদা বিরাজমান। সুবহানাল্লাহ। কাজেই, সকলকে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ বা আওলাদ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।” আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম তিনি এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার হাক্বীক্বী মিছদাক। এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা বুঝা যায়, আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম তিনি উম্মতগণের জন্য সুমহান নিয়ামত, বরকত, সাকীনা এবং মাগফিরাত, নাজাত লাভের উসীলা। তাই, উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস পবিত্র ১৪ই যিলহজ্জ শরীফ জিন-ইনসান সকলের জন্যই অত্যন্ত আনন্দের দিন তথা ঈদ বা খুশির দিন। অতএব, সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ খিদমত মুবারক আঞ্জাম দেয়া। যা সকলের জন্যই রহমত, বরকত, নিয়ামত, সাকীনা ও নাজাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- সুমহান ও বরকতময় ঐতিহাসিক ১৪ই যিলহজ্জ শরীফ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান মু’জিযাহ শরীফ হিসেবে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার ঐতিহাসিক দিবস। পাশাপাশি আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়া সম্পর্কিত মু’জিযাহ শরীফসহ পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা। আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়া সম্পর্কিত মু’জিযাহ শরীফসহ পবিত্র জীবনী মুবারক শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা এবং উক্ত দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রসঙ্গত আজ সুমহান ও বরকতময় ঐতিহাসিক ১৪ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান মু’জিযাহ শরীফ হিসেবে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার ঐতিহাসিক দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!

এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়া সম্পর্কিত মু’জিযাহ শরীফ এবং আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা। আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে এ মহান দিবস সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা এবং এ মহান দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে