সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর মহাপবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপনে কোনো ঈমানদার মুসলমান বাধা দিতে পারেন না। একমাত্র গুমরাহ বিদয়াতী ওহাবী খারেজী সম্প্রদায়ের অনুসারীরাই বাধা দিয়ে থাকে! নাউযুবিল্লাহ!


সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর মহাপবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপনে কোনো ঈমানদার মুসলমান বাধা দিতে পারেন না। একমাত্র গুমরাহ বিদয়াতী ওহাবী খারেজী সম্প্রদায়ের অনুসারীরাই বাধা দিয়ে থাকে! নাউযুবিল্লাহ!
**********************************************************************
কুল-কায়িনাতে মাঝে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল ইজ্জত উনার সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বোত্তম পবিত্র ইবাদত- সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, মহাপবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপনে বহুদিন যাবৎ বহু প্রকার গুমরাহ বিদয়াতী ওহাবী খারেজী সম্প্রদায়ের অনুসারী গং বাধা দিয়ে আসছে। তারা নানা প্রকার মিথ্যা তোহমত, মিথ্যা বানোয়াট ইতিহাস, মনগড়া তথ্য-উপাত্ত এবং পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের অপব্যাখ্যা করে ধর্মপ্রাণ ঈমানদার মুসলমানগণ উনাদের মাঝে ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করে আসছে। বিশেষ করে প্রতিবছর মহাপবিত্র সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম মাহে রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস আসলেই এসব গুমরাহ বিদয়াতী ওহাবী খারেজী সম্প্রদায়ের অনুসারীরা বিভিন্নভাবে তাদের অপতৎপরতা শুরু করে দেয়। নাউযুবিল্লাহ! এসব ক্ষেত্রে তারা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একই কথা ভাঙ্গা রেকর্ডের ন্যায় শুনাতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! আলোচ্য প্রবন্ধে আমরা ওইসব গুমরাহ বিদয়াতী ওহাবী খারেজীদের ভাঙ্গা রেকর্ডের দাঁতভাঙ্গা জবাব তুলে ধরবো ইনশাআল্লাহ। যাতে করে সারাবিশ্বের তামাম ধর্মপ্রাণ ঈমানদার মুসলমান উনাদের ঈমান আরো মজবুত এবং সুদৃঢ় হয়।
 
উল্লেখ্য, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের পরবর্তী যুগ সম্মানিত তাবিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের যুগের এবং তৎপরবর্তী প্রত্যেক যুগেও অনুসরণীয় ইমাম-মুজহাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা প্রত্যেকেই অত্যন্ত জওক-শওক ও খুশি প্রকাশ করে মহাপবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে মাহফিল মুবারক আয়োজন করেছেন এবং এ ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছেন। যেমন এ প্রসঙ্গে বর্ণিত রয়েছে যে, বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি শতাধিক হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সাক্ষাৎ মুবারক পেয়েছিলেন, যিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার চতুর্থ খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার বিশিষ্ট খলীফা ও ছাত্র ছিলেন। তিনি বলেন-
وددت لو كان لى مثل جبل أحد ذهبا فانفقته على قرائة مولد النبى صلى الله عليه وسلم.
অর্থ: “আমার একান্ত ইচ্ছা হয় যে, আমার যদি উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ থাকতো তাহলে আমি তা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বিলাদত শরীফ অর্থাৎ মহাপবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন উপলক্ষে ব্যয় করতাম।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’য়ামাতুল কুবরা আলাল আলাম)
অতএব, কাট্টা গুমরাহ বিদয়াতী ওহাবী খারেজী সম্প্রদায়ের লোকেরা যে বলেছে- খায়রুল কুরুনের দ্বিতীয় তবকা হযরত তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কারো থেকেই মহাপবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করা প্রমানিত নয় এই কথাটিও ডাহা মিথ্যা এবং বিকৃত ইতিহাস বলে প্রমাণিত হলো। কেননা উপরোক্ত কওল শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হলো সম্মানিত হযরত তাবেয়ীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মাথার তাজ, ইমামকুল শিরোমণি, যারঁ মর্যাদা-মর্তবা গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে গোটা মুসলিম মিল্লাত উনাদের মধ্যে কোনোই দ্বিমত নেই। তিনিই যখন মহাপবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন উপলক্ষে এমন দরদমাখা তামান্না, ঈমানদীপ্ত প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তাহলে উনার সমসাময়িক অনুসারী মুহব্বতকারী হযরত ইমাম মুজতাহিদ আউলিয়ায়ে কিরাম আজমাইন সেই বরকতময় রহমতপূর্ণ আমল করা থেকে নিজেদেরকে বিরত রেখেছেন সেটা কেমন করে চিন্তা করা যেতে পারে!
 
Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে