সুস্বাস্থ্যের জন্য দোয়া করা যেমন সুন্নত আবার রোগ হলে চিকিৎসা করানোও সুন্নত !


একদা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি আল্লাহ পাকের নিকট জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমার রব! রোগ কার পক্ষ থেকে?
আল্লাহপাক বললেন, হে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম! রোগ আমার পক্ষ থেকে।
আবার তিনি প্রশ্ন করলেন, ঔষধ তার পক্ষ হতে?
এরশাদ হল, ঔষধও আমার পক্ষ হতে ।
অতঃপর হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম প্রশ্ন করলেন তবে চিকিৎসকের প্রয়োজন কি?
আল্লাহপাক বললেন, হে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম! জেনে নিন। আমি চিকিৎসকের মাধ্যমে ঔষধ পাঠাই।

সুস্থতার জন্য দোয়া করা যেমন সুন্নত আবার রোগ হলে চিকিৎসা করানোও সুন্নত। তবে অন্তরে একথা ইয়াক্বীন রাখতে হবে যে ,আরোগ্য লাভ একমাত্র আল্লাহ পাকের হাতে। রোগ যেমনি আল্লাহপাকের পক্ষ হতে আসে তেমনি নিরাময়ের ওষুধ ও সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসক আল্লাহপাকের হতেই আসে।
তবে চিকিৎসক???
তাদেরকে তো ঔষধ আল্লাহপাক তিনিই চিনিয়ে দেন। এজন্য অসুখ-বিসুখ হলে চিকিৎসা করানো আল্লাহপাকের হুকুম। অন্যথায় সে গুনাহগার হবে । এমত অবস্থায় সে মারা গেলে নিজে আত্মহত্যাকারীর বলে বিবেচিত হবে আর তার অধিনস্ত কেউ চিকিৎসা ছাড়া মারা গেলে সে হত্যাকারীর মধ্যে গণ্য হবে।
(তিব্বে নববী)
তবে যদি কখনো রোগ হয় তবে তা রহমতের উসিলা বলে মনে করতে হবে। আবার ব্যক্তি বিশেষ শাস্তিস্বরূপও হতে পারে।রোগ তিন কারনে হয়।
১)গুনাহ মাফের জন্য।

২) দরজা বুলন্দ করার জন্য অর্থাৎ আল্লাহপাক যদি কাউকে পছন্দ করেন এবং তার দরজা বুলন্দ করতে চান কিন্তু লোকটি আমল করে আল্লাহপাকের সে প্রত্যাশিত দরজা অর্জন করতে পারছে না ,তখন আল্লাহপাক মেহেরবানী করে সে ব্যক্তিকে রোগব্যাধি দিয়ে গুনাহ-খাতা মাফ করে দরজা বুলন্দ করে দেন ।
(সুবহানাল্লাহ)
(আহমদ শরীফ, আবু দাউদ শরীফ,মা’য়ারিফ)

৩)আযাব বা শাস্তি দেয়ার জন্য। আর তার নিদর্শন হচ্ছে, ব্যাধিগ্রস্ত ব্যক্তি হা-হুতাশ করতে থাকবে, যাকে পাবেতাকেই বলতে থাকবে ইত্যাদি।
(হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি)

উল্লেখ্য যে,
 কালোজিরা ও মধু ঔষধ স্বরুপ ব্যবহার করা সুন্নত।
 চিকিৎসকের কথা অনু্যায়ী ক্ষতিকারক জিনিস হতে বেচেঁ থাকা সুন্নত।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে