স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে এখানকার পিতা-মাতারা বড়ই উদগ্রীব থাকে


স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে এখানকার পিতা-মাতারা বড়ই উদগ্রীব থাকে। কারণ একাকী ছেলে কিম্বা মেয়েকে বাইরে ছাড়তে রাজি নন। এমনকি ঘরে ছেলে-মেয়েকে রেখেও পিতা-মাতারা দুশ্চিন্তা করতে থাকে টেলিভিশনে, ইন্টারনেটে মোবাইল, কম্পিউটারের মাধ্যমে হারাম ছবি দেখা থেকে। আর এই হারাম ছবি তোলা, দেখা থেকে লাখো অনৈতিক কর্মে জড়িয়ে পড়েছে। জড়িয়ে পড়ছে শিশুরা, ছাত্রীরা এবং বড়রা পর্যন্ত। সুতরাং হারাম ছবি তোলা, দেখা থেকে কি করে নৈতিকতা শিখতে পারে এবং শেখাতে পারে- এটা বিবেকবান মানুষের কাছে আমাদের প্রশ্ন।


কল্পনা নয়, মিথ্যা বাস্তবতা দিয়ে সত্যকে উপলব্ধি করুন। হারাম কাজ থেকে হারাম কাজই শেখা হবে। অর্থাৎ হারাম কখনও হালাল হবে না। যে ব্যক্তি হারামকে হালাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে যাবে বরং তারই ধ্বংস অনিবার্য।পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে- “প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা, রাখনেওয়ালা জাহান্নামী।” ছবি তোলা, আঁকা, রাখা সবই নিষেধ করা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে- উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত হয়েছে- “যখন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গৃহে প্রবেশ করতেন তখন ঘরে ছবিযুক্ত কোন জিনিস দেখতে পেলে তা ধ্বংস করে ফেলতেন।” সুবহানাল্লাহ!


সুতরাং এটাই যদি হয়ে থাকে যিনি কায়িনাতের মূল, যিনি মালিক উনি ছবি ভাস্কর্য ধ্বংস করতে বলেছেন। সেখানে উনারই উম্মত দাবি করে সেই ছবি তোলাকে ঘরে ঘরে ছোট শিশুদের মাঝে প্রতিষ্ঠিত করা এবং শিশুদেরকে এই হারাম কাজ শিখিয়ে তারই মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে রাখা এটা কিসের ইঙ্গিত বহন করে?
সুতরাং ছবি তোলা, রাখা, দেখা সব বাদ দিতে হবে। যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন এবং উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যা করতে নির্দেশ করেছেন সেটাই পালন করতে হবে, যা করতে নিষেধ করেছেন সেটা থেকে বিরত থাকতে হবে- তবেই সবার জন্য নৈতিকতা শিক্ষা লাভ করা সম্ভব। আর সবার মধ্যে যদি নৈতিকতা বজায় থাকে তবেই একটা দেশকে দুর্নীতিমুক্ত রাখা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ। আমীন।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে