স্থল নদীপথ ও এয়ার ট্রানজিট এবং বাংলাদেশের বিপন্ন স্বাধীনতা


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে পবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা জালিমও হয়ো না। আবার মজলুমও হয়ো না।” বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে বিনাশর্তে ব্যবহার করতে দেওয়ার মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশকেই আজ অনানুষ্ঠানিক করদরাজ্যে পরিণত করা হচ্ছে। তদুপরি স্থলপথ ট্রানজিটের পর আর নৌকরিডোর দেওয়ার তোরজোড় চলছে। যা মূলত বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডের নিরাপত্তাই শতভাগ বিঘিœত করবে।
ধারাবাহিক
বাংলাদেশের এজেন্ডা হিসেবে আরেকটি ইস্যু অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যৌথ ইশতেহারের ২৬ নম্বর দফায়। সেখানে বলা হয়েছে, নেপালে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহারের জন্য রোহনপুর-সিঙ্গাবাদ ব্রডগেজ রেলওয়ে লাইন ব্যবহার করা হবে। এ বিষয়ে ভারতও সম্মত, কিন্তু বাস্তবায়নে অগ্রগতি নেই। যৌথ ইশতেহারের ৩৮ নম্বর দফায় বাংলাদেশকে রেলওয়ে, নদীপথ ও সড়কপথে অবকাঠামো উন্নয়নে ভারতের ১০০ কোটি ডলার ঋত দেওয়ার ঘোষণা রয়েছে। এটা একক কোনো দেশকে ভারতের সর্বোচ্চ পরিমাণ ঋতসহায়তা।
যৌথ ইশতেহারের ২৩ নম্বর দফায় ভারতকে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই দুটি বন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন করতে ভারতকে সড়ক ও রেলপথ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথাও এই দফায় বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং আশুগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে ভারত যাতে ট্রানজিট কার্যকর করতে পারে, তার বাস্তবায়নে কোনো বিলম্ব না করে কারিগরি সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে বাংলাদেশ।
যেমন ট্রানজিট কিংবা ট্রান্সশিপমেন্ট চালু হলে তার জন্য বাংলাদেশকে ভাড়া বাবদ যে রাজস্ব দেবে ভারত তার হার নির্ধারণ করে সদ্যঘোষিত বাজেটের পরপরই এসআরও জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই ঘোষণায় প্রতি টন পণ্য ট্রানজিট কিংবা ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য রাজস্ব হার নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে এক টন লোহা পরিবহনের জন্যও এক হাজার আবার এক টন সোনা পরিবহনের জন্যও এক হাজার টাকা রাজস্ব দিলেই চলবে!

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে