স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার বিধান পবিত্র কুরবানী ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সর্ম্পকে সরকারের নয়


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অতএব, আপনি আপনার রব উনার সন্তুটি মুবারক উনার জন্য নামায পড়ৃন এবং কুরবানী করুন। (পবিত্র সূরা কাউছার শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২)
উল্লেখ্য, এখানে যদিও খাছ করে নাযিল করা হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি কিন্তু আমভাবে সমস্ত উম্মতকে উদ্দেশ্য করেই বলা হয়েছে। আর মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি কিন্তু এখানে কোন স্থান, কাল, পাত্র, বয়স ইত্যাদি নির্ধারণ করেননি। কিন্তু বর্তমান সরকার কি বলছে? ১৮ বছরের নিচে কোনো যুবক পবিত্র কুরবানী করতে পারবে না, ১৮ বছরের নিচে কোনো মেয়ে এবং ২১ বছরের নিচে কোনো ছেলে বিয়ে করতে পারবে না ইত্যাদি। নাউযুবিল্লাহ!
তাহলে এ সমস্ত মনগড়া, শরিয়তবিরোধী ফতওয়া দেয়ার কারণে সরকার কি মহান আল্লাহ পাক উনার সীমা লঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত নয়? পরকালে মহান রব্বুল ইজ্জত উনার নিকট কঠিন জবাবদিহিতার উপযুক্ত নয়? সম্মানিত পাঠক! এবার আপনারাই বলুন- ৯৮ ভাগেরও বেশি সংখ্যক মুসলিম দেশের মুসলমানের মুসলমানিত্ব কোথায়? তীব্র প্রতিবাদ করার মধ্যে নাকি কাপুরুষের মতো হাত পা গুটিয়ে বসে থাকার মধ্যে?? আজ মুসলিম জনতার মধ্যে যদি সমস্বরে প্রতিবাদের আওয়াজ তুলতো তবে সরকারের সাধ্য ছিল না মুসলমান উনাদের উপর যুলুম করত উনাদের সম্মানিত শরীয়ত উনার মাঝে আঘাত হানা, শরিয়তী বিধি বিধান বাদ দিয়ে নতুন আইন জারি করা তথা মুসলমান উনাদের দ্বীনী মৌলিক অধিকার পালনের সুযোগ থেকে বঞ্ছিত করা।

Views All Time
1
Views Today
4
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে