হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার আলামত


গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর আব্দুল ক্বাদির জ্বিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে একবার বাগদাদের খলীফা ইউসুফ বিন মনছুর তার এক মন্ত্রীর দ্বারা কিছু স্বর্ণমুদ্রা হাদিয়া করলে হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, তোমার স্বর্ণমুদ্রা হারাম। আমি এটা গ্রহণ করবো না। এরপরও মন্ত্রী নেয়ার জন্য অনুরোধ করতে লাগলো। তখন তিনি স্বর্ণমুদ্রাগুলি হাত দিয়ে চাপ দিলেন। তখন তার থেকে রক্ত ঝতে লাগলো। মন্ত্রী এ অবস্থা দেখে খলীফাকে সংবাদ দিলো। খলীফা এসে দেখলেন- সত্যি ঘটনা। তখন হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাকে বললেন, হে খলীফা! তুমি যুলুম করে তা উপার্জন করেছো বিধায় তা থেকে রক্ত ঝরছে। প্রত্যেক জিনিস তার মূলের দিকে প্রত্যাবর্তন করে। তখন খলীফা মাফ চাইলেন ও খাছ তওবা করলেন। (খোলাছাতুল ক্বাদেরী) উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার আলামতের মধ্যে একটা হলো- তিনি হাদিয়া নেয়ার সময় যাচাই-বাছাই করে নিবেন। আলামতের মধ্যে আরেকটা হলো- যাকে দেখলে মহান আল্লাহ পাক উনার কথা স্মরণ হয়, যার কথা শুনলে দ্বীনি ইলম বৃদ্ধি পায়, যার আমল দেখলে পরকালের আমল করতে ইচ্ছা হয়। হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ হতে হলে উল্লেখিত আলামতগুলি অবশ্যই থাকতে হবে। এ আলামতগুলি না থাকলে ঐ পীর ছাবেহ ত্যাগ করে হক্কানী-রব্বানী শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত হওয়া ওয়াজিব।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে