হক্বের পথে অটল থাকলে কামিয়াবী একদিন অবশ্যই আসবে…


ত্যাগ স্বীকার না করে,কষ্ট না করে কেউ হক্ব পথে আসতে পারে না…
হক্ব পথে আসতে প্রচন্ড বাধা-বিপত্তি আসেই!
শক্ত করে যদি হক্বের উপর, হক্ব পথে অবস্থান করা যায়
তবেই বাধা-বিপত্তির অবসান ঘটে।
গায়িবী মদদ হয়।
কামিয়াব হতে প্রচন্ড ধৈর্য লাগে…
সেই শিক্ষাটাও হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই দিয়েছেন…
উনার কোনোই প্রয়োজন ছিলো না কষ্ট মুবারক করা তবুও তিনি উম্মতদেরকে নসীহত মুবারক করার জন্য শিয়াবে আবু তালিবের কঠিন, বর্ণনাতীত কষ্ট মুবারক গ্রহণ করেছেন,হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সহ!
১ দিন,২ দিন নয় ৩ টি বছর উনারা শিয়াবে আবু তালিবে অবস্থান মুবারক করেছিলেন! খাবারের কষ্ট করেছিলেন….
উনারা যদি চাইতেন উহুদ পাহাড় স্বর্ণ হয়ে উনাদের পিছনে পিছনে ঘুরুক তবে সেটাই হতো…
কিন্তু উনারা সম্পদের মুহতাজ ছিলেন না,উনারা হক্বের উপর অটল ছিলেন এবং সেই শিক্ষা মুবারক দিলেন যে,এমন কষ্ট হলেও যদি হক্ব পথ থেকে কেউ বিচ্যুত না হয়,হক্ব পথে, দ্বীনি পথে লেগে থাকে,অটল থাকে
তবে অবশ্যই অবশ্যই বিজয় আসবে।
সুবহানাল্লাহ!
মানুষ আজ সাইয়্যিদে ঈদে আযম উনার মাহফিল নিয়ে চু-চেরা করে!!!
অথচ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার পবিত্র আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরই শান মুবারকে আলোচনা হয়,দ্বীনি বিষয়ে আলোচনা হয়। আক্বল,সমঝ যদি থাকতো তবে কেউ বিরোধিতা করতো না! বাধা দিতো না!
যাইহোক,যত বাধা আসে আসুক,আমরা যারা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আলোচনা মুবারক পছন্দ করি,তারা আলোচনা মুবারক করে যাবো,শুনে যাবো। সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ প্রতিক্ষণেই পালন করবো।
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক আমাদেরকে কামিয়াবি দান করবেন…সর্বস্তরেই এ মহাপবিত্র মাহফিল মুবারক জারী করে দিবেন ইনশাআল্লাহ।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে