হক্ব দল চেনার সহজ উপায়


হক্ব দল

হক্ব চেনা,হক্বের উপর ইস্তেকামত থাকা ও বাতিল ভণ্ডদের থেকে সাবধান থাকা সকলের জন্য ফরযে আইন

বর্তমানে আমরা আখেরী যামানায় অবস্থান করছি, এই যামানাটা কঠিন ফেৎনার যুগ। এই যামানায় ঈমান ধরে রাখা এতো কঠিন হবে যে হাতের উপর আগুনের কুন্ড রাখার চেয়েও কঠিন হবে। তাহলে এই যামানায় হক্ব চেনাও কঠিন হয়ে পড়েছে, সবাই নিজেকে হক্ব বলে দাবি করে কিন্তু সঠিক হক্বটা জানতে হবে ও সেই মুতাবিক ইস্তেকামত থাকার জন্য কোশেশ করতে হবে।
পবিত্র হাদীস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, আখেরী যামানায় উম্মতগণ ৭৩ দলে বিভক্ত হবে, তার মধ্যে ৭২ দলই জাহান্নামী হবে, একটি মাত্র দল জান্নাতী হবে। দলটিই আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত।
পবিত্র হাদীস শরীফ উনার মধ্যে আরোও ইরশাদ হয়েছে, তোমরা যতদিন কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ আকড়ে ধরে থাকবে ততদিন গোমরাহ হবে না।
হাদীস শরীফে আরোও ইরশাদ হয়েছে, যদি তোমরা আমার সুন্নত মুবারক উনাকে ছেড়ে দাও তবে তোমরা গোমরাহ ( কাফির) হয়ে যাবে।
এখন আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত নাম দিয়েও যারা শরিয়ত বিরোধী হারাম কাজ করে তারা হক্ব না। হক্ব হওয়ার পূর্বশর্ত হচ্ছে আক্বিদা ও আমল উভয়ই বিশুদ্ধ থাকতে হবে ও শরিয়তবিরোধী হারাম কাজ করা যাবে না।
বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের আনাচে কানাচে দেখি অসংখ্য অগণিত কথিত দরবার। কিন’ আসল হক্ব দরবার কোনটি? সবই কি হক্ব? না, তা নয়। তাহলে সবই কি নাহক্ব? সেটাও নয়। অনেকেই অজ্ঞতাপ্রসূত বলে থাকে যে, এতো পথ, এতো দলাদলি; হুযূরদের কোনোটাই মানবো না, কোনোটাই হক্ব নয়। নাঊযুবিল্লাহ! এরূপ কথা বলা যাবে না। হক্ব দরবার চেনার উপায় কি? কি করে তা চেনা যাবে?
এর জবাব হলো- আখিরী যামানার জন্য হক্ব দরবার চেনা অতি সহজ। হক্ব দরবার মানেই সেখানে আল্লাহ পাক উনার ওলী সেখানে থাকবেন। আল্লাহ পাক উনার পরিচয় জানতে হবে। তিনি যদি হক্ব হন তবে উনার দরবার শরীফও হক্ব হবে। এখন যে বা যিনি ওলী বা হক্কানী পীর হবেন তিনি কোনোভাবেই ছবি তুলতে পারেন না। গান-বাজনা শুনতে পারেন না। টিভি চ্যানেলে প্রোগ্রাম করতে পারেন না। ছবি তুলে হজ্জ করতে যেতে পারেন না এবং সুন্নতের আমল ছেড়ে দিতে পারেন না। গণতন্ত্র করতে পারেন না। বেপর্দা হতে পারেন না। এর যে কোনো একটি বা সবগুলো যে বা যিনি করে থাকেন তিনি ওলীআল্লাহ নন। বরং ওলীউশ শয়তান। ভণ্ড ও প্রতারক।
আর ঢাকাস্থ রাজারবাগ দরবার শরীফ-উনার যিনি সাইয়্যিদুনা ইমাম মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলািইহিস সালাম তিনি এ ধরনের কোনো হারাম-নাজায়িয কাজে জড়িত নন। বরং তিনি বলেন, ছবি তোলা, তোলানো, বেপর্দা হওয়া, ইসলামের নামে ভোট-নির্বাচন করা, টিভি দেখা, টিভিতে প্রোগ্রাম করা ইত্যাদি কাট্টা হারাম এবং সুন্নত পালন করা খাছ ফতওয়া মতে ফরয। তিনি নিজেও একটি ছোট মুস্তাহাব সুন্নতও ছাড়েন না। উনার দরবার শরীফ-এ কোনো শরীয়তের খিলাফ আমল নেই। নেই কোনো কুফরী কালাম। সবই সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। না দেখে না শুনে অনেকে বিপরীত মন্তব্য করে। এরূপ মন্তব্য করা ধ্বংসের কারণ। আসতে হবে, দেখতে হবে, বুঝতে হবে, জানতে হবে অতঃপর কথা বলতে হবে। সকলের প্রতি আমার উদাত্ত আহবান- আপনারা আসুন, দেখুন, জানুন, বুঝুন এবং হক্ব ওলীআল্লাহ উনার কাছে বাইয়াত হোন। কামিয়াবী অর্জন করুন।
Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে