হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সুমহান কয়েকটি উপদেশ


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণে অগ্রগামী, দুনিয়া বিরাগী, আখিরাতের প্রতি অনুরাগী, পরহেজগার, মহাজ্ঞানী, চিন্তাশীল, সম্মানিত দ্বীন উনার ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বনকারী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আশিক, পবিত্র সুন্নত উনার একনিষ্ঠ অনুসারী, পদের মোহমুক্ত, ইবাদতগুজার, দানশীল-দানবীর, বিশিষ্ট মুজাহিদ, আত্মত্যাগী, বিনয়ী, অল্পে তুষ্ট, স্পষ্টবাদী, অধিক পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনাকারী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অন্তর্ভুক্ত বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ও ফকীহ, আল-কুরাইশী বংশোদ্ভূত অত্যন্ত বুযূর্গ ছাহাবী, খিলাফত আলা মিনহাজুন নুবুওয়াত উনার অধীনে বিভিন্ন দায়িত্ব প্রাপ্ত সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দ্বিতীয় খলীফা হযরত উমর বিন খত্তাব আলাইহিস সালাম উনার যোগ্যতম সন্তান হলেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। উনার পবিত্র ও মহিমান্বিত জীবনকাল ৮৩/৮৪ বছরের। এ সময়ের মধ্যে তিনি অনেক সুন্দর সুন্দর ও সুমহান উপদেশ দিয়ে গেছেন। এর মধ্য থেকে কয়েকটি উপদেশ হলো- ১. সর্বাপেক্ষা সহজ নেকী হলো প্রফুল্ল মুখ এবং মিষ্টি কথা। ২. সুমিষ্ট সরবত যেভাবে পান করো, সেভাবেই ক্রোধ হজম করো। ৩. চরিত্র খারাপ হলে ঈমানও খারাপ হয়। ৪. পাপ করতে চাইলে সে স্থান তালাশ করো যেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি নেই। ৫. বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট যতই প্রিয় হোক না কেন, সে যখন পার্থিব কিছু চায়, তখন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট তার মর্যাদা কমে যায়। ৬. ইবাদতে স্বাদ পেতে হলে একাকিত্ব তালাশ করো (তবে এটা পরিবার পরিজনের রুজীর ব্যবস্থা করার পর)। ৭. সেই জ্ঞানী যে অপরকে অবজ্ঞা করে না। ৮. শত্রুর কাছ থেকে হলেও জ্ঞানার্জন করো। ৯. অন্যের দোষ খোঁজার আগে নিজ দোষের প্রতি নজর দাও। ১০. নিজে আমল করে তারপর অন্যকে উপদেশ দাও। স্মরণীয় যে, এই উপদেশগুলো আমাদের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জীবনকে স্বার্থক ও অর্থবহ করে গড়ে তুলবে বলে আশা করা যায়। তাই মহান আল্লাহ পাক আপনি আমাদেরকে উপরোক্ত উপদেশগুলো মেনে চলার তাওফীক দান করুন। আমীন!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে