হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট আইয়্যামিল্লাহ শরীফ পালনের ফযীলত !


হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ রাত্রি মুবারকগুলোর ফযীলত কতটুকু?

কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, শবে বরাত ও শবে ক্বদরের রাতে খাছ রহমত বর্ষিত হয়। উক্ত খাছ রহমত হরিণের উপর পরলে মৃগনাভী পয়দা হয়, মাছের উপর পরলে আম্বর পয়দা হয়, ঝিনুকের উপর পরলে মণি পয়দা হয় আর জ্বীন-ইনসানের উপর পরলে জ্বীন-ইনসান ওলীআল্লাহ হয়ে যায়।অর্থ্যাৎ যেই প্রানীর উপর উক্ত বিশেষ দিনের রহমত মুবারক বর্ষিত হয়,সেই প্রানীটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য মন্ডিত হয়ে যায়।
(সুবহানাল্লাহ)
যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে মহাসম্মাণিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ রাত্রি মুবারকে যদি কারো উপর খাছ রহমত মুবারক বর্ষিত হয়, তাহলে সে কি নিয়ামত মুবারক লাভ করবে?
নিঃসন্দেহে সে সর্বোচ্চ শ্রেনীর ওলী-আল্লাহ হয়ে যাবে। উনাদের সাথে আখাসছুল খাছ তা’য়ালুক্ব -নিসবত মুবারক হাছিল করবে। এবং ইহকাল ও পরকালে সমস্ত প্রকার কামিয়াবী লাভের মাধ্যম হবে।
(সুবহানাল্লাহ)
মূলত,উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ রাত্রিগুলোর ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান মুবারক শবে বরাত, শবে ক্বদরের চেয়েও লক্ষ কোটি গুণ বেশি। উনারা যমীনবাসীদের নিরাপত্তা দানকারী, উনাদের সম্মাণার্থে দুনিয়াবাসী রিযিক প্রাপ্ত হয়, উনাদের জন্যই দুনিয়া টিকে আছে, উনারা না থাকলে কিয়ামত সংঘটিত হবে যাবে , উনারাই তো বান্দার মুবহব্বত পাওয়ার অধিক হক্বদার।
সূরা ইবরাহীম শরীফে আল্লাহপাক বলেন,
‘তাদেরকে মহান আল্লাহপাক উনার দিনসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিন।নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক ধৈর্য্যশীল শোকর-গোযারকারীগণের জন্য অনেক নির্দশন রয়েছে’।

অথচ এক নব উদ্ভুত শ্রেনী চায় এই বিশেষ দিবস সমূহকে বিদয়াত বলে কুরআন শরীফের আয়াত শরীফ অস্বীকার করে সাধারণ মানুষকে গোমরাহ করতঃ রাত্রিসমূহের খাস রহমত, বরকত, সাকীনা থেকে বিরত রাখতে। আমাদের উচিত এদের কথা কান না দিয়ে অত্যন্ত তাযীম-তাকরীম, আদব ইহতিরাম ও মুহব্বতের সহিত বিশেষদিন সমূহ পালন করে নিয়ামতসমূহ হাছিল করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে