হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার আগমনে পবিত্র দ্বীন ইসলাম, পবিত্র দ্বীন ইসলাম হিসেবে আছে


হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে। তিনি যদি ওই সময় না আসতেন অর্থাৎ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে না পাঠাতেন তাহলে মুসলমানরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দিকে না যেয়ে গ্রিক দর্শনের দিকে ঝুঁকে পড়তো।
বর্তমানে হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দী। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, এক হাজার হিজরীর পর থেকে আখিরী যুগ। যার ফলে আমরা দেখতে পাই এ যুগে ফিতনা-ফাসাদ তথা অন্ধকার এত বেশি হয়েছে যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ-নিষেধ এর বিরুদ্ধাচরণ করছে মুসলমানও। সর্বোপরি তারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে বাদ দিয়ে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে ধ্বংসের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ইহুদী-নাছারাদের প্রবর্তিত হারাম গণতন্ত্র গ্রহণ করেছে। গণতন্ত্রের জোয়ারে তাদের গা ভাসিয়ে দিয়েছে। গণতন্ত্রের স্রোতে তাদের ঈমান হারিয়ে ফেলছে। ফলশ্রুতিতে তাদের অজান্তেই তারা ঈমানহারা হয়ে যাচ্ছে। কারণ গণতন্ত্র এমন এক পদ্ধতি যার মাধ্যমে একজন মুসলমানকে সহজেই কাফির বানানো যায়। নাউযুবিল্লাহ!
পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের সেই সঙ্কটময় মুহূর্তে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবুব ও বন্ধু এবং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কলিজার টুকরা, খাছ আওলাদ, সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, সুলত্বানুন নাছির, ছাহিবে কুন ফা-ইয়াকুন রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যমীনে তাশরীফ এনেছেন।
মুজাদ্দিদগণ উনাদের সম্পর্কে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে একজন করে মুজাদ্দিদ প্রেরণ করেন। যিনি তাজদীদ উনার দ্বারা দ্বীনের মধ্যে প্রবেশকৃত সমস্ত কুফরী-শিরকী, বিদয়াত-বেশরা মিটিয়ে পবিত্র সুন্নতকে প্রতিষ্ঠিত করবেন।” (আবু দাউদ শরীফ, তরিমিযী শরীফ, নাসাঈ শরীফ, মেশকাত শরীফ, ইবনে মাজাহ)
সত্য এলে মিথ্যা কখনো থাকতে পারে না। এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সত্য এসেছে, মিথ্যা দূরীভূত হবে; নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই মিথ্যা দূরীভূত হওয়ারই যোগ্য।”
মুজাদ্দিদে আ’যম তিনি যখন যমীনে তাশরীফ আনেন তখন যমীন এক ভিন্ন রূপ ধারণ করে। উনার নূরের আভা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় যমীন থেকে কুফরীর পরিবর্তে হাক্বীক্বী পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ঘ্রাণ ভেসে আসে। তাজদীদ উনার দাপটে বাতিল থরথর করে কাঁপতে থাকে। বাতিলের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হয়ে দাঁড়ালেন। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুশমনদের যমীন থেকে উৎখাত করতে তিনি সদা অটল নির্ভীক।
তিনিই বর্তমানে একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি সর্বপ্রথম খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রহমতে গণতন্ত্রকে কুফরী মতবাদ হিসেবে প্রমাণ করে তা মুসলমানদের মাঝে প্রকাশ করছেন। সকল মুসলমানকে দেখাচ্ছেন হাক্বীক্বী পবিত্র ঈমান উনার পথ। গণতন্ত্র যে মুসলমানদের ধ্বংস করার জন্য ইহুদীদের তৈরি ফাঁদ তা তিনি বিশ্ববাসীকে উনার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ এবং দৈনিক আল ইহসান উনার মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছেন। যার ফলে মুসলমান পাচ্ছে তাদের হারিয়ে যাওয়া পবিত্র ঈমান, মু’মিন পাচ্ছে তার মু’মিনত্ব।
অপরদিকে বাতিলপন্থীরা উনার ভয়ে আজ হয়েছে কোণঠাসা। মুজাদ্দিদ উনার নাম শুনলে তাদের গা জ্বলে উঠে এবং পালাতে শুরু করে। পালিয়ে গিয়ে তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য লোক সমাজে উনার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা করে। কিন্তু তিনি বাতিল নাশে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার তেজে দুর্বার সিপাহসালার। তাদের অস্তিত্ব যমীন থেকে মুছে দিতেই তিনি যমীনে এসেছেন। তিনি অবশ্য অবশ্যই তাদের যমীন থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিবেনই দিবেন এবং মুসলমানদের কামিয়াব করবেন। ইনশাআল্লাহ!
সুতরাং দৃঢ়চিত্তে সকলেই একবাক্যে মেনে নিয়েছেন যে, বর্তমানে যদি যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, ছাহিবে সুলত্বানুন নাছির, ছাহিবে কুন ফা-ইয়াকুন রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যমীনে তাশরীফ না আনতেন তাহলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম- পবিত্র দ্বীন ইসলাম হিসেবে না থেকে গণতন্ত্রের দিকে চলে যেতো। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দয়া করে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইহসান করে বিশ্ববাসীর হিদায়েতের জন্য উনাকে পাঠিয়েছেন যার কারণে মুসলমান তার মুসলমানিত্বের পথ খুঁজে পেয়েছে। অন্যথায় তা কস্মিনকালেও সম্ভব ছিল না।
মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদের সকলকে সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, ছাহিবে সুলতানুন নাছির, ছাহিবে কুন ফা-ইয়াকুন রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার তাজদীদী কার্যক্রম বুঝার সহীহ আক্বল ও সমঝ দান করেন এবং এই তাজদীদী কাজের সথে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখার তাওফীক দান করেন (আমীন)

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. Ahmadur Rahmanগোলামে মালিক says:

    দৃঢ়চিত্তে সকলেই একবাক্যে মেনে নিয়েছেন যে, বর্তমানে যদি যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, ছাহিবে সুলত্বানুন নাছির, ছাহিবে কুন ফা-ইয়াকুন রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যমীনে তাশরীফ না আনতেন তাহলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম- পবিত্র দ্বীন ইসলাম হিসেবে না থেকে গণতন্ত্রের দিকে চলে যেতো।
    মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদের সকলকে সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, ছাহিবে সুলতানুন নাছির, ছাহিবে কুন ফা-ইয়াকুন রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার তাজদীদী কার্যক্রম বুঝার সহীহ আক্বল ও সমঝ দান করেন এবং এই তাজদীদী কাজের সথে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখার তাওফীক দান করেন (আমীন)

  2. গোলামে মাদানী আক্বাগোলামে মাদানী আক্বা says:

    amin amin

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে