হাক্বীক্বী পর্দা করা ফরয, অথচ এ সম্পর্কে মুসলিম জাতি বড়ই বেখবর


অনেক মহিলা এমন আছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে রোযা রাখে এমনকি অনেক নফল ইবাদত করে থাকে, কিন্তু পর্দাকে কোন গুরুত্ব দেয় না। এর মধ্যে অনেকে বোরকা পরেনা, অনেকে বোরকা পরেও বোরকা না পরার সমান। কারণ এই বোরকাতে তাদের দেহের আকৃতি সম্পূর্ণ বোঝা যায়। আবার অনেকে এমন বোরকা পরে যে, তার হাত পা মুখ সব খোলা রাখে। তাদের মতে এটাই বোরকা তথা এটাই পর্দা। আবার অনেকে বলে থাকে এত পর্দার দরকার নাই। নাউযুবিল্লাহ! অথচ সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা পর্দা করা ফরয। পাশাপাশি পর্দা মহিলাদের জন্য সর্বোত্তম আমল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাহলে একজন মহিলার জন্য পর্দার গুরুত্ব কতটুকু? এ সম্পর্কে মুসলিম সমাজ বেখবর রয়ে গেছে। আসলে আমাদের সমাজে যারা তথাকথিত নামধারী আলিম তারা কখনো বেপর্দার বিরুদ্ধে বলেনা। এছাড়া আজকে আমাদের দেশের শিক্ষানীতির মধ্যে মুসলিমা নারীদের যারা সম্মানিত আর্দশ উনাদের কোন আলাপ আলোচনা বা উনাদের কোন জীবনী বা ওয়াকেয়া নাই যার কারণে মুসলিম মহিলা পুরুষ তা থেকে শিক্ষা নিতে পারছেনা। যার কারণে তারা বিভিন্ন নাস্তিকবাদি তথা রোকেয়া, সুফিয়া কামালকে আদর্শ মনে করে বেপর্দা বেহেয়াপনাকে গ্রহণ করছে। স্বাধীনতার নামে রাস্তা ঘাটে বের্পদাভাবে চলাফেরা করছে। যার কারণে তাদের জীবন দেখা যায় লাঞ্চনা গঞ্চনায় ভরপুর। নাউযুবিল্লাহ! মূলতঃ এসব বের্পদা বেহেয়াপনা থেকে ফিরে আসা এবং সম্মানিত আদর্শ মুবারক গ্রহণ করে হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়া একমাত্র সম্ভব হবে যিনি সাইয়্যিদাতুন নিসা আতত্বাহিরাহ আতত্বয়্যিবাহ আওলাদে রসূল উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নুরী ক্বদম মুবারকে আসলে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত নারীকুলকে উনার নূরী ক্বদম মুবারকে এসে উনার খাছ ফয়েজ তাওয়াজ্জুহ হাছিল করার মাধ্যমে আমাদেরকে হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়ার তৌফিক দান করুন। আমীন!!!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে