হাতের লেখা সুন্দর করার কিছু পরামর্শ: (০১)


হাতের লেখা বাজে হলে তা পাঠককে আকৃষ্ট করে না। বিশেষত শিক্ষার্থীদের জন্য হাতের লেখা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কারণ তা পরীক্ষায় নম্বরপ্রাপ্তিতে ভূমিকা রাখে। হাতের লেখার চর্চা ছোট থেকে করতে হয়। অবশ্য বড় হওয়ার পরও কিছু কৌশল অনুসরণ করে হাতের লেখা ভালো করা সুযোগ আছে।

নিম্নে থ্রি ফিঙ্গার একাডেমী আলোকে কিছু পরামর্শ দেয়া হল:

প্রি-প্রাইমারি শিক্ষার্থী

এ বয়সের সোনামণিদের হাতের লেখা দ্রুত হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। শুধু সুন্দর হওয়াটাই মূল লক্ষ্য। যেহেতু জাতীয় শিশুদের প্রথম শিক্ষক থাকেন মা-বাবা অথবা অভিভাবক তাই আমি বলব আপনাদের হাতের লেখা আগে সুন্দর করতে হবে, পরে আপনার শিশু।

 

টিপস্ (অভিভাবক)

১) ইংরেজি বর্ণ সুন্দর করে লিখতে হলে আপনাকে প্রথমেই জানতে হবে ’রাইটিং বার’ সম্পর্কে। ইংরেজি খাতায় আপনি খেয়াল করুন ফোর লাইন এবং থ্রি স্পেস আছে আপনাকে লেটারগুলোকে ঐ লাইন এবং স্পেস এর মধ্যে রাখতে হবে।

২) সকল ক্যাপিটাল লেটার উপরের স্পেস জুড়ে বসবে।

৩) সকল স্মল লেটার ক) কখনও বসে মিডল স্পেস, খ) কখনও বসে মিডল আপ এবং গ) কখনও বসে মিডল ডাউন এ।

৪) অবশ্যই ইংরেজি খাতা ছাড়া অন্য কোন খাতায় এ বয়সী শিশুদের ইংরেজি লেখা প্রেকটিস করানো ঠিক নয়।

৫) বড় বড় করে বই এর মত সুন্দর করে লেখা শিখাতে হবে।

৬) বাংলা লেখা অবশ্যই বাংলা খাতায় শিখনো উচিত।

৭) শিশুদেরকে হাতের লেখা শিখানোর সময় তাকে বুঝতে দেয়া যাবে না যে আপনি লেখা শিখাচ্ছেন তাই খেলার ছলে ছলে লেখা শিখাবেন।

৮) মূল যে কাজটি করতে হবে তা হল, ইংরেজি বা বাংলা যা-ই হোক না কেন অবশ্যই যে লেটারটি শিখাচ্ছেন সেটি কোথা থেকে শুরু এবং কোথা গিয়ে শেষ হয় তা খেয়াল রাখতে হবে।

হাতের লেখা সুন্দর, পরিস্কার ও দ্রুত হওয়া উচিত

প্রাইমারি শিক্ষার্থী

 

১) লেখা যেন খুব ছোট ছোট না হয় এ জন্য প্রতি পেজে লেখার সাইজ অনুযায়ী ১০-১২ লাইন লিখতে পার।

২) বর্ণ ঘন শব্দ ফাঁকা রাখ।

৩) শব্দ থেকে শব্দের মাঝে ৩ বর্ণ অথবা ১ আঙ্গুল সমপরিমান ফাঁকা দিতে পার।

৪) এক লাইন থেকে অন্য লাইনের মাঝে অর্ধ ইঞ্চি অথবা ১ আঙ্গুল ফাঁকা দিতে পার।

৫) প্যারা থেকে প্যারার মাঝে ১ইঞ্চি অথবা ২ লাইন সমপরিমান ফাঁকা দিতে পার।

৬) বায়ে ও উপরে ১ স্কেল (সোয়া এক ইঞ্চি) মার্জিন রাখতে পার।

৭) ডানে ও নিচে কোন মার্জিন থাকবে না তবে অবশ্যই অর্ধ ইঞ্চি সমপরিমান ফাঁকা রাখতে চেষ্টা করবে।

৮) কাটাকাটি হিজিবিজি করে না কেটে একটান দিয়ে কেটে দাও।

৯) লেখার পরে যদি ভুল বুঝতে পার তাহলে একটান দিয়ে কেটে উপরে পুনরায় শুদ্ধ করে লিখে দিবে।

১০) অনেকের হাত তুলনামূলক বেশী ঘামায় যার ফলে কলম পিচ্ছিল হয়ে যায় একারণে তোমার হাতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত নাও হতে পারে। এমনকি তোমার ভিজা হাতের কারণে খাতা নষ্ট হতে পারে। এধরণের শিক্ষার্থী বন্ধুরা ২টি শুকনো রুমাল রাখবে এবং রাবার যুক্ত কলম ব্যবহার করবে।

১১) কলমের কালি যেন গাঢ় কালো হয় এবং অবশই কলমটি বলপেন হওয়া উচিত।

১২) কোন ভাবেই কলম খুব শক্ত করে ধরে লিখবে না তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই তোমার হাত ব্যাথা করবে।

১৩) মনে রাখবেঃ তুমি যা লিখতে যাচ্ছ সেটি যদি ভাল মুখস্ত বা ভাল জানা থাকে তাহলে তোমার হাতের লেখা অতি দু্রূত ও সুন্দর হবে এবং পরীক্ষকের অজান্তেই বেশী নম্বর পারো।

 

হাতের লেখা সুন্দর, পরিস্কার ও দ্রুত হওয়া উচিত

জে এসসি শিক্ষার্থী

 

১) লেখা যেন খুব ছোট ছোট না হয় এ জন্য প্রতি পেজে লেখার সাইজ অনুযায়ী ১৪-১৫ লাইন লিখতে পার।

২) বর্ণ ঘন শব্দ ফাঁকা রাখ।

৩) শব্দ থেকে শব্দের মাঝে ৩ বর্ণ অথবা ১ আঙ্গুল সমপরিমান ফাঁকা দিতে পার

৪) এক লাইন থেকে অন্য লাইনের মাঝে অর্ধ ইঞ্চি অথবা ১ আঙ্গুল ফাঁকা দিতে পার।

৫) প্যারা থেকে প্যারার মাঝে ১ইঞ্চি অথবা ১ লাইন সমপরিমান ফাঁকা দিতে পার।

৬) বায়ে ও উপরে ১ স্কেল (সোয়া এক ইঞ্চি) মার্জিন রাখতে পার।

৭) ডানে ও নিচে কোন মার্জিন থাকবে না তবে অবশ্যই অর্ধ ইঞ্চি সমপরিমান ফাঁকা রাখতে চেষ্টা করবে।

৮) কাটাকাটি হিজিবিজি করে না কেটে একটান দিয়ে কেটে দাও।

৯) লেখার পরে যদি ভুল বুঝতে পার তাহলে একটান দিয়ে কেটে উপরে পুনরায় শুদ্ধ করে লিখে দিবে।

১০) অনেকের হাত তুলনামূলক বেশী ঘামায় যার ফলে কলম পিচ্ছিল হয়ে যায় একারণে তোমার হাতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত নাও হতে পারে। এমনকি তোমার ভিজা হাতের কারণে খাতা নষ্ট হতে পারে। এধরণের শিক্ষার্থী বন্ধুরা ২টি শুকনো রুমাল রাখবে এবং রাবার যুক্ত কলম ব্যবহার করবে।

১১) কলমের কালি যেন গাঢ় কালো হয় এবং অবশই কলমটি বলপেন হওয়া উচিত।

১২) কোন ভাবেই কলম খুব শক্ত করে ধরে লিখবে না তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই তোমার হাত ব্যাথা করবে।

১৩)মনে রাখবেঃ তুমি যা লিখতে যাচ্ছ সেটি যদি ভাল মুখস্থ বা ভাল জানা থাকে তাহলে তোমার হাতের লেখা অতি দ্রুত ও সুন্দর হবে এবং পরীক্ষকের অজান্তেই বেশী নম্বর পারো।

 

হাতের লেখা সুন্দর, পরিস্কার ও দ্রুত হওয়া উচিত এবং কলমের সঠিক ব্যবহারও জানা দরকার

এসএসসি পরীক্ষা-২০১১ শিক্ষার্থী বন্ধুরা আমার শুভেচ্ছা রইল। পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়। সকল বিষয়ের ওপর ভাল ফলাফলের নিশ্চয়ই আশা করছো। পরীক্ষায় কিভাবে লিখলে তোমার লেখা দ্রুত, সুন্দর ও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একই রকম মান বজায় থাকবে সেদিকে নজর রাখা জরুরী। বিশেষ করে অন্ততঃ এক নজরে যেন তোমার হাতের লেখা সুন্দর দেখায় সে দিকে খেয়াল রেখ। বন্ধুরা, এ মূহুর্তে তোমার বেসিক হাতের লেখা সুন্দর করতে পারবে না শুধু একপলকে লেখা দেখে প্ররীক্ষকের সন্তুষ্টই যথেষ্ঠ। আর এ জন্য নিম্নের টিপসগুলো জানা থাকলে পরীক্ষকের অজান্তেই তোমার নম্বর বেশী হতে পারে।

১) লেখা যেন খুব ছোট ছোট বা খুব বড় বড় না হয় এ জন্য প্রতি পেজে লেখার সাইজ অনুযায়ী ১৮-২০ লাইন লিখতে পার।

২) বর্ণ ঘন শব্দ ফাঁকা রাখ।

৩) শব্দ থেকে শব্দের মাঝে ২/৩ বর্ণ সমপরিমান ফাঁকা দিতে পার।

৪) এক লাইন থেকে অন্য লাইনের মাঝে অর্ধ ইঞ্চি অথবা ১ আঙ্গুল ফাঁকা দিতে পার।

৫) প্যারা থেকে প্যারার মাঝে হাফ ইঞ্চি অথবা ১ লাইন সমপরিমান ফাঁকা দিতে পার।

৬) বায়ে ও উপরে ১ স্কেল (এক / সোয়া এক ইঞ্চি) মার্জিন রাখতে পার।

৭) ডানে ও নিচে কোন মার্জিন থাকবে না তবে অবশ্যই অর্ধ ইঞ্চি সমপরিমান ফাঁকা রাখতে চেষ্টা করবে।

৮) কাটাকাটি হিজিবিজি করে না কেটে একটান দিয়ে কেটে দাও।

৯) লেখার পরে যদি ভুল বুঝতে পার তাহলে একটান দিয়ে কেটে উপরে পুনরায় শুদ্ধ করে লিখে দিবে।

১০) অনেকের হাত তুলনামূলক বেশী ঘামায় যার ফলে কলম পিচ্ছিল হয়ে যায় একারণে তোমার হাতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত হবে না। এমনকি তোমার ভিজা হাতের কারণে খাতা নষ্ট হতে পারে। এধরণের পরীক্ষার্থী বন্ধুরা ২টি শুকনো রুমাল রাখবে এবং রাবার যুক্ত কলম ব্যবহার করবে।

১১) কোন ভাবেই কলম খুব শক্ত করে ধরে লিখবে না তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই তোমার হাত ব্যাথা করবে।

১২) তুমি যা লিখতে যাচ্ছ সেটি যদি ভাল মুখস্ত বা জানা থাকে তাহলে তোমার লেখা অতি দু্রূত হবে।

১৩) অনেকের শেষের দিকের লেখা বেশী খারাপ হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সবগুলো পেজের লেখার মান যদি একই রকম রাখতে চাও তবে তোমার হাতের লেখার স্পিড প্রতি মিনিটে কমপক্ষে ২০টি শব্দ হওয়া উচিত।

১৪) অতি দ্রুত বা অতি ধীরে না লিখে সঠিক স্পিড বজায় রাখবে।

১৫) অল্প লিখে অনেকে বেশী পেজ দেখাতে চাও, এটা মোটেই ঠিক নয়, তবে যারা এ অভ্যাস ত্যাগ করতে পারবে না শুধু তাদেরকেই বলছি। তোমরা বর্ণ থেকে বর্ণ, শব্দ থেকে শব্দ, লাইন থেকে লাইন, প্যারা থেকে প্যারা এসব ক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত নিয়মকানুন থেকে একটু বেশী ফাঁকা দিতে পার। তবে অবশ্যই এক্ষেত্রে প্রতি পেজে ১৩-১৫ লাইনের কম লেখা উচিত নয়।

১৬) মনে রাখবেঃ তুমি যা লিখতে যাচ্ছ সেটি যদি ভাল মুখস্ত বা জানা থাকে তাহলে তোমার হাতের লেখা অতি দু্রূত ও সুন্দর হবে এবং পরীক্ষকের অজান্তেই বেশী নম্বর অবশ্যই পাবে।

কলমের সঠিক ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কি ধরণের কলম ব্যবহার করতে হবে, কালি কেমন হবে, পয়েন্ট কত হবে, কলমটি মোটা না চিকন হবে, বলপেন না ফাউনটেন পেন হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে হয়ত অনেকে টেনশনে আছ।

১) তোমার হাতের আঙ্গুল তুলনামূলক বড় ও মোটা হলে তোমার জন্য মোটা কলম এবং ছোট ও চিকন হলে চিকন কলম ব্যবহার করা উচিত।

২) কলমের কালি যেন গাঢ় ও কালো হয় এবং কলমটি বলপেন হওয়া উচিত।

৩) আংশিক ব্যবহৃত বলপেন পরিক্ষার সময় ব্যবহার করা ভাল, একারণে কয়েকটি ব্যবহৃত কলম হাতের কাছে রাখ।

৪) কলমে সমস্যা দেখা দিলে বার বার সমাধানের চেষ্টা না করে পরিবর্তন করে নতুন একটি ব্যবহার কর।

৫) সাধারনতঃ পয়েন্ট ফাইভ কলম ব্যবহার করা উচিত, তবে যদি কারো হাতের লেখা আকারে বড় বড় হয় সেক্ষেত্রে পয়েন্ট সিক্স কলম ব্যবহার করা যেতে পারে।

৬) অনেকে ঝর্ণা বা ফাউনটেন পেন ব্যবহার করে থাকো আমি বলব, এধরণের কলম এজাতীয় পাবলিক পরীক্ষায় ব্যবহার করা ঠিক নয় কারণ, এধরনের কলমে লেখা অবশ্যই সুন্দর দেখায় কিন্তু দ্রুত হয় না। এছাড়াও এটি ব্যবহারের ফলে হয়ত ক) লেখার বিপরীত পেজে লেখা দেখা যেতে পারে। খ) অসাবধানতার কারণে যদি তরল পদার্থ লেগে যায় সেক্ষেত্রে সমস্ত লেখাই নষ্ট হতে পারে।

‘জারিফ টিপস’ এ- সুন্দর বাংলা হাতের লেখা

 

সুন্দর হাতের লেখা একজন মানুষের ব্যত্বিকে ফুটিয়ে তোলার প্রথম ধাপ এবং শিক্ষার্থীদের কাছে মহামূল্রবান সম্পদ। যেকোন পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করার আগে যদি একজিমিনারের মন জয় করতে চাও তাহলে সুন্দর হাতের লেখাই তোমার একমাত্র সম্বল। এটা হল তোমার প্রথম আকর্ষণ। আদর্শ লেখা একটি শিল্প আর এই শিল্পের যথাযথ বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ আমাদের দেশে আছে।

 

বর্ণের সঠিক ব্যবহারঃ

বন্ধুরা, আমরা হাতের লেখা সুন্দর করতে চাইলে প্রথমে শিখব বর্ণের সঠিক ব্যবহার। অর্থ্যাৎ বর্ণটির সঠিক আকৃতি কেমন হবে এবং বর্ণটির তৈরীর নিয়মাবলী। বর্ণের তৈরীর নিয়ম যদি সঠিক না হয় তাহলে লেখা দ্রুত হবে না এবং অসুন্দর হয়ে যাবে।

 

বর্ণ ঘন করতে হবেঃ

আমরা অনেকে বর্ণ সাজাতে ভূল করি অর্থ্যাৎ বর্ণ আকাবাকা, ঘন, ফাকা, উপর ,নিচ ইত্যাদি ভাবে বসাই কিন্তু এ অভ্যাসটা পরিহার করে একটু খেয়াল করে বর্ণগুলো মাত্রার সাথে সোজা রেখে গায়ে গায়ে সাজাতে হবে তাহলে শব্দটি দেখতে চমৎকার লাগবে।

 

শব্দকে যথাযথ ফাকা রাখতে হবেঃ

আমরা কয়েকজন বন্ধুর হাতের লেখা একত্র করলে দেখতে পাব, এক বন্ধু থেকে অন্য বন্ধুর হাতের লেখার শব্দ থেকে শব্দের দুরত্ব কারো কম বা কারো বেশী। এক্ষেত্রে একটা সঠিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত  বন্ধুরা  শব্দ থেকে শব্দের মাঝে ৩বর্ণ পর্যন্ত ফাকা রাখতে পার, ৬ষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণী বন্ধুরা ২বর্ণ পর্যন্ত ফাকা রাখতে পার, একাদশ থেকে তদুর্ধ বন্ধুরা ১/২বর্ণ ফাকা দিবে।

 

কম লিখে কিভাবে বেশী পেজ ভরাঃ

রচনামুলক প্রশ্নের উত্তর যখন আমরা দেই তখন আমাদের অনেকের ধারনা কম লিখে কিভাবে বেশী পেজ দেখানো যায়? সেক্ষেত্রে সব কিছু ঠিক থাকবে শুধু শব্দ থেকে শব্দের মাঝে ফাকা একটু বেশী দিব এবং এক লাইন থেকে অন্য লাইনটিও তুলনামূলক একটু বেশী ফাকা দিব। মূল যে কাজটি করতে হবে তা হচ্ছে লেখার স্টাইলটা পরিবর্তন করতে হবে। এ জন্য এফোর সাইজ এর কাগজে লাইন হবে শ্রেণী অনুযায়ী ১০/ ১৪/ ১৮ লাইন।

 

বর্ণ কাটাকাটি না করা ও তার প্রতিকারঃ

ভূল বশত আমরা যখন কোন বর্ণ লিখে ফেলি তখন পুনরায় ঐবর্ণটি কাটতে হয় সে ক্ষেত্রে আমরা অনেকে এমনভাবে বর্ণটি কাটি যেন মনে হয় বর্ণটির ওপর একটা বোম্ব ফেলা হয়েছে। একাজটি না করে এক টান দিয়ে বর্ণের মাঝে কেটে দিয়ে শদ্ধ বর্ণটি সামনে থেকে শুরু করব।

 

শব্দ ভূল করলে কেটে দেয়ার নিয়মঃ

ভূল করে বা রিভিশন দিতে গিয়ে দেখা গেল শব্দটি ভূল তখন আমরা শব্দের মাঝ বরাবর কেটে দিয়ে উপরে শুদ্ধ শব্দটি লিখে দিব। কয়কবার কাটাকাটি করা ঠিক নয়।

 

এক বা একাধিক লাইন ভূল করলেঃ

এক বা একাধিক লাইন ভূল হলে উক্ত লাইন গুলো শব্দের মাঝ বরাবর ঝিকঝাক করে কেটে দিয়ে উপরে ছোট করে লিখে দিতে হবে। উপরে যথাযত জায়গা না থাকলে এ্যারো দিয়ে মার্জিনে গিয়ে উক্ত লাইনগুলো লেখা যেতে পারে।

 

স্টাইল পরিবর্তন না করা ও তার প্রতিকারঃ

আমরা যখন বেশী সময়ধরে বা অতি দ্রুত লেখি তখন হাতের লেখা একেবারে বাজে হয়ে যায় বা কেই কেই বলে থাকি লেখা পরিবর্তন হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে আমাদের জানতে হবে কোন শ্রেণীর জন্য মিনিটে কত শব্দ হওয়া উচিত? আমরা যদি মিনিটে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা, প্রতি মিনিটে-১২টি শব্দ, ৬ষ্ঠ- ১০ শ্রেণী, প্রতি মিনিটে-১৬ শব্দ এবং একাদশ শ্রেণী থেকে তদুর্ধ-১৮-২০ শব্দ লেখার টাইমিং করা থাকে তাহলে পরীক্ষার সময় অতি দ্রুত লেখা বা টেনশনের করার কিছূ নেই। স্বাভাবিক ভাবে লিখলেই সঠিক সময়ে পরীক্ষা শেষ হবে।

 

লাইন সোজা রাখাঃ

”লাইন সোজা হল” সুন্দর হাতের লেখার প্রথম চমক! যে সব বন্ধুদের সব কিছু ঠিক আছে কিন্তু লাইন সোজা রাখতে পারনা সে সব বন্ধুদের জন্য লাইন সোজা করা বহু টিপস আছে তার মধ্যে একটি হলঃ লেখার সময় বাম পাশের মার্জিনের দিকে ও ডান পাশের মাজিনের দিকে বার বার তাকাতে হবে।

 

বর্ণ ছোট-বড় না করাঃ

এধরণের সমস্যাটা সাধারনত ছোট্ট বন্ধুদের বেলায় একটু বেশী হয়ে থাকে, চিন্তার কোন কারন নেই বন্ধুরা। এসমস্যা সমাধানের জন্য তোমরা কয়েক দিন বাংলা লাইন টানা খাতায় বর্ণ বড় বড় করে কিছু দিন লিখলেই ঠিক হয়ে যাবে।

 

মাত্রা থেকে শুরু করা (কিছু বর্ণ ব্যতিত)ঃ

বন্ধুরা, আমরা যখন বাংলা লেখা শুরু করব তখন অবশ্যই মাত্রা থেকে শুরু করব কিছু বর্ণ ব্যতিত। মাত্রা বিহীন, অর্ধমাত্রা ও পূর্ণমাত্রা বর্ণ সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে । মাত্রাবিহীন, অর্ধ ও পূর্ণমাত্রা বর্ণ যদি আমরা না চিনতে পারি তাহলে অর্থ পরিবর্তনসহ হাতের লেখা অসুন্দর হয়ে যাবে। সংশ্লিষ্টিদের পড়তেও অসুবিধা হবে।  জারিফ হ্যান্ডরাইটিং বই থেকে এ ব্যাপারে শিখে নিতে পার।

 

দ্রুত লিখতে হবেঃ

আমার মনে হয়, সুন্দর হাতের লেখার কোন মূল্য নেই যদি লেখা দ্রুত না হয়। তাই ভাল হোক বা মন্দ হোক সঠিক সমযে লেখা শেষ করতে হবে এটাই আসল কথা, আর এজন্য আমাদের জানতে হবে

১)     সহজ সরল স্টাইলে লেখা

২)     শ্রেণী ভিত্তিক স্টাইল বাছাই করা

৩)     বর্ণের আকৃতি ঠিক রাখা

৪)     বর্ণকে সঠিকভাবে তৈরী করা

৫)     সঠিক ভাবে কলম ধরা

 

হাতের সুন্দর ইংরেজী লেখা

সুন্দর হাতের লেখা একজন মানুষের ব্যত্বিকে ফুটিয়ে তোলার প্রথম ধাপ এবং শিক্ষার্থীদের কাছে মহামূল্যবান সম্পদ। যেকোন পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করার আগে যদি একজিমিনারের মন জয় করতে চাই তাহলে সুন্দর হাতের লেখাই আমাদের একমাত্র চাবিকাঠি। এটা হল একজন পরীক্ষার্থীর প্রথম আকর্ষণ। আদর্শ লেখা হল একটি শিল্প আর এই শিল্পের যথাযথ বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ আমাদের দেশে আবিষ্কৃত হয়েছে। এ বিষয়ের ওপর বিভিন্ন বই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো পড়েও অনেক উপকৃত হওয়া সম্ভব। ছোট্ট সোনামণিদের ক্ষেত্রে হাতের লেখা সুন্দর হওয়াটাই মুল বিষয়।

১) ক্যাপিটাল লেটারস এর ব্যবহার (সকল ক্যাপিটাল লেটারস ১ এবং ২নং স্পেসে বসবে)ঃ

ইংরেজী লেখা সুন্দর করতে চাইলে প্রথমেই আমরা শিখব বর্ণের অবস্থান বা ব্যবহার। ইংরেজী বর্ণমালায় ছোট বড় মিলে ৫২টি বর্ণ আছে। এ বর্ণগুলি শেখার আগে আমরা শিখব কোন বর্ণ কোথায় বসাবো। বন্ধুরা, সঠিক লাইন এবং স্পেস এ যদি বর্ণ বসাতে না পারি সেক্ষেত্রে আমাদের হাতের লেখা অসুন্দর হয়ে যাবে।

২) স্মল লেটারস এর ব্যবহারঃ ক্যাপিটাল লেটারস এর মত স্মল লেটারস এর সাজানো বা অবস্থান কিন্তু এক নয় অর্থ্যাৎ কিছু বর্ণ বসে ১নং স্পেসে, কিছু বর্ণ বসে ১ ও ২নং স্পেসে, এবং কিছু বর্ণ বসে ২ ও ৩নং স্পেসে।

৩) ক্যাপিটাল লেটারস এর সঠিক আকৃতিঃ বর্ণের সঠিক আকৃতি মানেই সুন্দর হাতের লেখার মূলমন্ত্র। তাই বর্ণ শেখার সময়ই সঠিক ভাবে তৈরীর নিয়মকানুন শিখতে হবে।

৪) স্মল লেটারস এর সঠিক আকৃতিঃ আমরা ক্যাপিটাল লেটারস থেকে স্মল লেটার তৈরীতে বেশী ভুল করে থাকি তাই এ বিষয়ে বেশী সতর্ক থাকতে হবে।

৫) বর্ণ ঘন শব্দ ফাঁকাঃ আমরা যখন লেখা শুরু করি তখন খেয়াল করতে হবে বর্ণগুলো যেন খুব ঘন হয় এবং শব্দ থেকে শব্দের মাঝে একটা নির্দিষ্ট পরিমান ফাঁকা থাকে।

৬) শব্দ থেকে শব্দের মাঝে দুই বর্ণ সমপরিমান ফাঁকা দিতে হবে (৬ষ্ঠ – তদুর্ধ)ঃআমরা যারা ৬ষ্ঠ-তদুর্ধ শ্রেণীর শিক্ষার্থী সেক্ষেত্রে শব্দ-শব্দের মাঝে ২বর্ণ সমপরিমান ফাঁকা দিব।

৭) শব্দ থেকে শব্দের মাঝে ৩ বর্ণ সমপরিমান ফাকা দিতে হবে (২য়- ৫ম শ্রেণী)ঃআমরা যারা ২য় শ্রেণী-৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সেক্ষেত্রে আমরা শব্দ- শব্দের মাঝে ৩ বর্ণ সমপরিমান ফাকা দিব।

৮) শব্দ থেকে শব্দের মাঝে ৪ বর্ণ সমপরিমান ফাকা দিতে হবে (প্লে-১ম শ্রেণী)ঃএবয়সের শিক্ষার্থী শব্দ-শব্দের মাঝে ৪ বর্ণ সমপরিমান ফাঁকা দিবে কারণ এদের লেখা সাধারনত একটু বড় হয় যে কারণে ফাঁকা বেশী দিতে হয়।

৯) শ্রেণী ভিত্তিক স্টাইল বাছাই করা (৬ষ্ঠ শ্রেণী-তদুর্ধ)ঃ এবয়সের শিক্ষার্থীরা যে কোন স্টাইলে না লিখে একটা নির্দিষ্ট স্টাইলে লেখা উচিত ।

১০)১ম বর্ণটি বড় না করা ছোট্টঃ সোনামণিরা যখন লেখে তখন দেখা যায় প্রথম বর্ণটি বড় দিয়ে ফেলে এ ক্ষেত্রে আমরা অভিভাবকদের নজর রাখতে হবে যাতে করে এ ধরণের অভ্যাস শিশুরা না করতে পারে।

১১) লেটারস সঠিক ভাবে তৈরী করাঃ আমরা অনেকে লেটার সঠিক ভাবে তৈরী করতে পারি না। ফলে হাতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত হয় না। তাই প্রথমেই আমাদের লেটার তৈরীর সঠিক নিয়মকানুন জানতে হবে।

১২) লাইন সোজা রাখাঃ আমরা অনেকেই লাইন সোজা রাখতে পারিনা কিন্তু লাইন সোজা রাখা সুন্দর হাতের লেখার প্রথম ফোকাস। সেক্ষেত্রে আমাদের কিছু নিয়মকানুন মেনে চললেই লাইন অনেকটা সোজা রাখা সম্ভব। কয়েকটি টিপস ১) কলমের নিব থেকে চোখ ১ ফিট দুরে রাখতে হবে। ২) প্রতিটি লাইন শেষ করার পর প্রথমে ও শেষে তাকাতে হবে। ৩) প্রয়োজনে কলাম করে অনুশীলন করতে হবে। ৪) ফাঁকা ফাঁকা ডট দিয়ে অনুশীলন করতে হবে। ৫) ডানে বায়ে হাত দোলায়ে লিখতে হবে ইত্যাদি

১৩) স্টাইল পরিবর্তন না করাঃ আমরা অনেক সময় লিখতে লিখতে স্টাইল পরিবর্তন হয়ে যায় কিন্তু এটা ঠিক নয়। স্টাইল যাতে পরিবর্তন না হয় সে ক্ষেত্রে স্টাইল সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। বেশী স্টাইল রপ্ত করা ঠিক নয়।

১৪) লেটার ছোট-বড় না করাঃ লেখার সময় আমাদের লেটার ছোট-বড় হয়ে যায় বিশেষ করে ছোট্ট সোনামনিদের বেলায় এধরণের সমস্যা একটু বেশী হয়। এসমস্যা সমাধানের জন্য রোল করা খাতায় বেশী বেশী একটু অনুশীলন করতে হবে এবং একটু সতর্কতার সাথে কিছু দিন লিখলেই এসমস্যা থাকার কথা নয়।

১৫) কাটাকাটি নিয়মানুযায়ী করাঃ লিখতে গিয়ে আমরা ভুল করে থাকি আর এটাই স্বাভাবিক কিন্তু ভুলকে লেখাটিকে শুদ্ধ করার অবশ্যই একটা নিয়মানুযায়ী করতে হবে। ভুল করা বর্ণ/ শব্দ/ বাক্যটি আমরা ইচ্ছে মত কাটাকাটি করি থাকি, এটা আর একটা ভুল। কাটাকাটির বেলায়ও যেন স্বচ্ছতা থাকে অর্থ্যাৎ ১) এক টানে কাটতে হবে (২) এ্যারো দিয়ে উপরের লাইনে লিখতে পারো।

১৬) অতি দ্রুত না লেখাঃ আমরা অনেকে পরীক্ষার সময় অতি দ্রুত লেখি কারণ সঠিক সময়ে খাতা জমা দিতে হবে। আর অতি দ্রুত লিখতে গিয়ে হাতের লেখা এতো খারাপ হয় যেন নিজের লেখা নিজেই বুঝতে পারি না। কিন্তু আমরা যদি এটা না করে পূর্বে থেকেই জেনে নেই কোন শ্রেণীর জন্য প্রতি মিনিটে কম-বেশী কতগুলো শব্দ লিখলে সঠিক সময়ে পরীক্ষা শেষ করা যাবে। ১) প্রতি মিনিটে প্লে শ্রেণী-২শব্দ, ১মশ্রেণী-৪শব্দ, ২য়শ্রেণী- ৬শব্দ, ৩য়শ্রেণী-৮শব্দ, ৪র্থশ্রেণী-৯শব্দ, ৫মশ্রেণী-১০শব্দ, ৬ষ্ঠশ্রেণী-১১ শব্দ,৭মশ্রেণী-১২শব্দ,৮মশ্রেণী-১৪শব্দ, ৯মশ্রেণী-১৫শব্দ, ১০শ্রেণী-২০শব্দ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী-২২ কম-বেশী।

১৭) অতি ধীরে না লেখাঃ হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য আমরা খুব স্লো লেখি কিন্তু এটা ঠিক নয় কারণ সুন্দর হাতের লেখার কোন মূল্য নেই যদি আমরা সঠিক সময়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারি । তাই আমাদের লেখা সুন্দরসহ সঠিক সময়ের মধ্যে উত্তর পত্র জমা দিতে হবে। একারণে স্লো না লিখে দ্রুত ও সুন্দর লিখে সঠিক যথাসময়ে উত্তর পত্র জমা দিতে হবে।

১৮) শ্রেণী ভিত্তিক স্টাইল বাছাই (১ম-৫ম শ্রেণী)ঃ ছোট্ট সোনামণিদের হাতের লেখা একেবারেই স্বচ্ছ থাকতে হবে কারণ এবয়সের শিক্ষার্থীর সুন্দর হাতের লেখাই পরীক্ষক এর কাছে মূল আকর্ষণ। এজন্য শিশুতোষ হাতের লেখা বাছাই করতে হবে তারপর তাদেরকে হাতের লেখা শিখাতে হবে নতুবা অসুন্দরসহ লেখার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

১৯) শ্রেণী ভিত্তিক স্টাইল বাছাই (৬ষ্ঠ শ্রেণী – তদুর্ধ)ঃ এবয়সের শিক্ষার্থীদের হাতের লেখা বেশ দ্রুত লেখতে হয়। সেজন্য দ্রুত সম্পন্ন হাতের লেখার স্টাইল আমাদের বাছাই করে লেখতে হবে।

২০) মার্জিন এর সঠিক ব্যবহারঃ পরীক্ষার খাতাসহ যেকোন কিছু লেখার ক্ষেত্রে পেজ মার্জিন একটা বড় বিষয়। একটা পেজে মার্জিন কোন সাইটে কতটুকু থাকবে তা আমাদের জেনে নেয়া উচিত। এই মার্জিন যদি সঠিক না হয় তাহলে হাতের লেখা ভাল হওয়া সত্ত্বেও লেখা খারাপ দেখাবে। বাম মার্জিনে টিচারের কমেন্স করার জন্য দেড় ইঞ্চি জায়গা রাখা উচিত। পেজ সৌন্দর্য রাখার জন্য উপরেও দেড় ইঞ্চি এবং ডানে ও নিচে হাফ ইঞ্চি জায়গা ফাঁকা রাখা উচিত।

২১) কলমের সঠিক ব্যবহারঃ সঠিক ভাবে কলম ধরা সুন্দর হাতের লেখার আরও একটি চমৎকার আকর্ষণ। তাই সুন্দর ভাবে কলম ধরা শিখতে হবে নতুবা হাতের লেখা অসুন্দর সহ দ্রুত হবে না দ্বিতীয়ত: সামাজিক সমস্যাও হতে পারে।

২২) কম লিখে পেজ ভরাঃ আমরা যখন রচনামুলক প্রশ্নের উত্তর দেই তখন আমাদের অনেকের ধারনা কম লিখে কিভাবে বেশী পেজ দেখানো যায়? সেক্ষেত্রে সব কিছু ঠিক থাকবে শুধুমাত্র শব্দ থেকে শব্দের মাঝে ফাঁকা একটু বেশী দিব এবং এক লাইন থেকে অন্য লাইনটিও তুলনামূলক একটু বেশী ফাঁকা দিব। মূল যে কাজটি করতে হবে তা হচ্ছে লেখার স্টাইলটা পরিবর্তন করতে হবে। এ জন্য এফোর সাইজ কাগজে লাইন হবে শ্রেণী অনুযায়ী।

২৩) এক বা একাধিক লাইন ভুল করলেঃএক বা একাধিক লাইন ভুল হলে উক্ত লাইন গুলো শব্দের মাঝ বরাবর একটানে কেটে দিয়ে উপরে ছোট করে লিখে দিতে হবে। উপরে যথাযত জায়গা না থাকলে এ্যারো দিয়ে মার্জিনের বাহিরে গিয়ে উক্ত লাইনগুলো লেখা যেতে পারে।

২৪) মাত্রা বিহীন, অর্ধমাত্রা ও পূর্ণমাত্রা বর্ণের পরিচিতিঃ আমরা যদি মাত্রাবিহীন, অর্ধ ও পূর্ণমাত্রা বর্ণ চিনতে না পারি তাহলে অর্থ পরিবর্তনসহ হাতের লেখা অসুন্দর হয়ে যাবে। সংশ্লিষ্টদের পড়তেও অসুবিধা হবে। বাংলা হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য এ বিষয়ে জানা অত্যাবশ্যক।

 

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

৩টি মন্তব্য