হাবীবাতুল্লাহ, হাবীবাতু রসূলিল্লাহ, ফক্বীহাতুল উম্মাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন নারীকুলের জন্য গ্রহণযোগ্য একমাত্র আদর্শ


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন কুল-কায়িনাতের মাখলুকাতের জন্য অনুপম গ্রহণযোগ্য একমাত্র আদর্শ।” সুবহানাল্লাহ!
জিন-ইনসানকে সৃষ্টি করা হয়েছে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মা’রিফত মুহব্বত হাছিল করার জন্য। উনাদের মা’রিফত, মুহব্বত পেতে হলে অবশ্যই উনাদের আদেশ মুবারক মানতে হবে। উনাদের কর্তৃক আবশ্যকীয় ইবাদতগুলো করতে হবে। যাঁরা ইবাদত করে তাঁরা হলো বান্দা-বান্দী। বান্দা যাঁরা রয়েছেন তারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করবে আর যাঁরা বান্দী রয়েছেন তাঁরা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করবে। (কারণ হলো পুরুষ ও নারীর ইবাদত-বন্দেগী তাদের শারীরিক কাঠামোর ভিন্নতার কারণে ভিন্ন হয়ে থাকে) আর হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম। তিনিই হচ্ছেন নারী জগতের জন্য এক অনুপম মক্ববুল আদর্শ।
উনার সম্পর্কে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “তোমরা এই রক্তিম বর্ণের অধিকারিণী সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে দ্বীন তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সার্বিক বিষয় শিক্ষা করো।”
বলাবাহুল্য, বর্তমান যামানায় যিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার হাক্বীক্বী মিছদাক্ব তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, যাওয়াতু মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম। তিনিও মুজাদ্দিদে আ’যম উনার সঙ্গিনী হয়ে উনার মুবারক তাজদীদী কাজ প্রচার-প্রসারের আঞ্জাম মুবারক দিচ্ছেন। হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ মহিলা এই তমসাচ্ছন্ন ঘোর নিদানের কালে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার থেকে হাক্বীক্বী দ্বীন শিখছেন। মহিলা বিষয়ক মাসয়ালা-মাসায়িল অনুধাবন করছেন, আমল করছেন। পৃথিবীর সমস্ত মহিলাদেরই উচিত উনার মুবারক ছোহবত লাভ করে নিজকে ইছলাহ করা, ধন্য করা, হাক্বীক্বী মু’মিনা ও মুত্তাক্বী হওয়া।

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে