হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক সুন্দর ও শুদ্ধ করে লিখা এবং পাঠকারীর জন্য সুসংবাদ


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক উচ্চারণ করার মধ্যে এবং লিখার মধ্যে আজকাল দেখা যায় ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম না লিখে শুধুমাত্র (সঃ) লিখা হয়, দুরূদ শরীফ লিখার সময়ও (দঃ) লিখা হয়। অথচ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক লিখার সময় (সঃ), (দঃ) লিখা আম ফতওয়া হলো মাকরূহ্ আর খাছ ফতওয়া হলো হারাম ও কুফরী।
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক যখন লিখা হবে বা বলা হবে তখন অবশ্যই অবশ্যই পরিপূর্ণভাবে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ লিখতে হবে বা বলতে হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, হযরত ইমাম আবু জোরা রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি অনেক বড় মুহাদ্দিস ছিলেন। উনার বিছাল শরীফ লাভ করার পরে একজন বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি হযরত ইমাম আবু জোরা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে স্বপ¦ দেখলেন যে, উনি সাত আকাশের উপরে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ইমাম হয়ে নামায পড়াচ্ছেন। তখন স্বপ্নদ্রষ্টা ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, হে আবু জোরা রহমতুল্লাহি আলাইহি! আপনাকে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি এত ফযীলত দিলেন কি কারণে অর্থাৎ আপনি কিভাবে এত ফযীলত বা মর্তবা ও মর্যাদা হাছিল করলেন? যার ফলে আপনি হযরত ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ইমাম হয়েছেন।
হযরত ইমাম আবু জোরা রহমতুল্লাহি তিনি বললেন, আমার জীবনে আমি দশ লক্ষ হাদীছ শরীফ লিখেছি। আমার নিজের হাত মুবারক-এ প্রত্যেকবার হাদীছ শরীফ লিখার পরে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ শুদ্ধ করে, সুন্দর করে লিখেছি। মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন ‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরূদ শরীফ পাঠ করবে, মহান আল্লাহ্ পাক তিনি তার প্রতি দশটা রহমত নাযিল করবেন।’ আমি দশ লক্ষবার দুরূদ শরীফ লিখেছি। মহান আল্লাহ্ পাক তিনি আমার প্রতি এক কোটিবার রহমত বর্ষণ করেছেন। যার বদৌলতে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি আমাকে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ইমাম করে দিয়েছেন।’ সুবহানাল্লাহ!
হাদীছ শরীফ-এ উল্লেখ করা হয়েছে, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি একবার দুরূদ শরীফ পাঠ করে মহান আল্লাহ পাক তিনি তার প্রতি দশটা রহমত নাযিল করেন। আর যে ব্যক্তি দশবার দুরূদ শরীফ পাঠ করে মহান আল্লাহ পাক তিনি তার প্রতি একশটা রহমত নাযিল করেন এবং তার কপালে লিখে দেন, ‘তাকে মুনাফিকী থেকে ও জাহান্নাম থেকে নাজাত দেয়া হলো’।” সুবহানাল্লাহ!

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+