হালাল-হারাম নিয়ে নানা কথা 


অনলাইনে অনেক লেখা পাওয়া যায় কিন্তু সব লেখা সত্য নয়। আবার অনেক তথ্যের অনেক ব্যাখ্যা প্রয়োজন। তাই আমরা চেষ্টা করবো এমন একটি ধারণা দিতে, যাতে আপনি নিজেই হালাল হারামের ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারেন।

প্রথমেই মনে রাখতে হবে- যা শূকরের চর্বি থেকে তৈরি হয়, তা গরুর চর্বি থেকেও তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু কোনো গরু হালাল উপায়ে যবেহ না হলে সেই প্রাণীর চর্বি থেকে বানানো যা; শূকররে চর্বি থেকে বানানোও তা। দুটোই হারাম হবার কথা। আর এ নিয়ে যদি আমরা হালাল হারাম বাছতে যাই- আমাদের জীবন হয়ে পড়বে কঠিন। দেখা যবে- এটা খাওয়া যাবে না, ওটা খাওয়া যাবে না, জীবন প্রায় দুঃসহ। কিন্তু পবিত্র দ্বীন ইসলাম মানুষকে সহজ সমাধান দিয়েছেন। ফলে আমাদের সেই সমাধানের পথটা জানতে হবে।
এছাড়াও অনেক উপাদান আছে, যা প্রাণীর উৎস থেকে তৈরি হয়; একইভাবে ভেষজ উৎস থেকেও তৈরি হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই উৎস উল্লেখ থাকে না। সেক্ষেত্রে প্রাণীর উৎস মনে করেই এগিয়ে যেতে হবে।
অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখিত উপাদানসমূহের মধ্যে হারাম কোনো উপাদান না থাকলেও দেখা যায়- যে ফ্লেভারিং এজেন্ট যোগ করা হয়, সেখানে হারাম উপাদান মিশ্রিত থাকে। আর সে কারণে দ্রব্যটি ব্যবহারের বা খাবারের অনুপযুক্ত হয়ে উঠে।
এসব দিক মাথায় রেখে আমরা আমাদের আলোচনা চালিয়ে যাবো।
নিচের চার্ট থেকে ধারণা পাবেন- কোন্ নম্বরগুলো কি উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়।
১) E100–E199 (রং-এর কাজে ব্যবহার হয়)
২) E200–E299 (প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহার হয়)
৩) E300–E399 (এন্টিওক্সিডেন্ট এবং এসিডিটি রেগুলেটর হিসেবে ব্যবহার হয়)
৪) E400–E499 (ঘন, দীর্ঘস্থায়ী ও ইমালসিফায়ার হিসেবে ব্যবহার হয়)
৫) E500–E599 (এসিডিটি রেগুলেটর এবং এন্টি কেইকিং এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার হয়)
৬) E600–E699 (সুগন্ধি দ্রব্য হিসেবে ব্যবহার হয়)
৭) E700–E799 (এন্টিবায়োটিক হিসেবে ব্যবহার হয়)
৮) E900–E999 (চকলেট, মিষ্টির চকচকে ভাব আনার জন্য ব্যবহার হয়)
৯) E1000–E1599 (বাড়তি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+