হাসি ও কান্নার সুন্নাত তরীকা


হাসির সুন্নত তরীকা
———————————–
*হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র অভ্যাস ছিল যখন হাসি দিতেন মুচকি হাসি দিতেন, কোন রকম আওয়াজ হত না।
(মাদারিজুন্নবুওয়াত)

*তিনি কারো সাথে সাক্ষাৎ করতে প্রফুল্ল বদনে মুচকি হাসতে হাসতে সাক্ষাৎ দিতেন, যার প্রভাব চেহারা মুবারকে পুরোপুরি প্রস্ফুটিত হত।
(শামায়েল)

*রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুচকি হাসিরও একটা পরিসীমা ছিল।মুচকি হাসির কারনে কখনও উনার শরীর মুবারকে কম্পন সৃষ্টি হত না, বরং বেশি থেকে বেশি দাড়িঁ মুবারক সামান্য হরকত করত।
(মাদারিজুন্নবুওয়াত)

ক্রদনের সুন্নত তরীকা
———————————–
*রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাসির ন্যায় ক্রদনের মধ্যেও কোন আওয়াজ করতেন না।
(যাদুল মা’আদ)

*তবে ক্রদনের সময় উনার নেত্রদ্বয় মুবারক অশ্রুসজল হয়ে উঠতেন এবং অশ্রু মুবারক প্রবাহিত হত।
(যাদুল মা’আদ)

*কখনও বক্ষ মুবারক হতে ক্রদনের মৃদু আওয়াজও শোনা যেত।
(যাদুল মা’আদ)
————————————-

উল্লেখ্য যে, ইসলামের দৃষ্টিতে কারো মৃত্যুতে গালে-মুখে থাপ্পড় মেরে কাঁদা, মাতম বা বিলাপ করে কান্না করা সম্পূর্ণ নাজায়েজ।
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘মৃত ব্যক্তিকে তার কবরের মধ্যে তার জন্য মাতম বা বিলাপ করে কান্না করার দরুন শাস্তি দেওয়া হয়।’
( বুখারী শরীফ )

অর্থাৎ সে ব্যক্তি তার উত্তরসূরীদের এহেন কাজের জন্য কবরে থেকে কষ্ট পায়। আমাদের উচিত মানুষের মৃত্যুতে শোক পালনের এই অন্যায় পদ্ধতি বর্জন করা।

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে