হিজরী ও শামসী ক্যালেন্ডারই মুসলমানদের অনুসরণ করা উচিত


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চন্দ্র ও সূর্যের ঘূর্ণন বা আবর্তনের সাথে রাত-দিনের বা তারিখের পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যার কারণে চন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী-প্রবর্তন করা হয়েছে হিজরী সন ও ক্যালেন্ডার। আর সূর্যের হিসাব অনুযায়ী প্রবর্তন করা হয়েছে শামসী সন ও ক্যালেন্ডার। এ দুটি সন ও ক্যালেন্ডারই মুসলমানদের দ্বারা প্রবর্তিত।
কাজেই, মুসলমানদের জন্য মুসলমানদের প্রবর্তিত সন ব্যতীত কাফির-মুশরিকদের প্রবর্তিত কোনো সন ও ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা জায়িয নেই।
অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আমাদের এই দেশে শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান। এদেশের প্রেসিডেন্ট মুসলমান, প্রধানমন্ত্রী মুসলমান, অন্যান্য মন্ত্রী ও এমপি তারাও মুসলমান। অথচ বহুবছর পূর্বে কাফির-মুশরিক ইংরেজরা তাদের শাসনামলে যে ক্যালেন্ডার এখানে জারি করেছিল, সেই ক্যালেন্ডারই আজো এখানকার অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সর্বত্রই জারি রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
মুসলমানদের বোধোদয় হওয়া উচিত, তারা তাদের শত্রুদেরকে যুলুম-নির্যাতনের কারণে এদেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে, বিতাড়িত করেছে সত্যি, কিন্তু তাদের আদর্শ ও তাদের কার্যক্রম, নিয়ম-নীতি তারা বিতাড়িত করেনি, ছাড়েনি। নাউযুবিল্লাহ!
মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, কাফির-মুশরিকদের যাবতীয় কর্মপদ্ধতি, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা পরিহার করা। অন্যথায় কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ করলে, তাদের সাথেই হাশর-নশর হবে এবং কঠিন আযাব-গযবের সম্মুখীন হবে। নাউযুবিল্লাহ!
অতএব, হায়াত থাকতেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাফির-মুশরিকদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতির পরিবর্তন করতে হবে এবং তাদের অনুসরণ ছেড়ে দিতে হবে।
এ লক্ষ্যেই নীতি নির্ধারক ও বাস্তবায়নকারীদেরকে বলবো, অতিসত্বর কাফিরদের প্রবর্তিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার বাদ দিয়ে হিজরী ক্যালেন্ডার এবং শামসী ক্যালন্ডার সর্বত্র চালু করুন।

Views All Time
4
Views Today
8
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে