হিনমন্যতা নয়,আপনি যে শ্রেষ্ঠ তা প্রকাশ করুন…


“শুভ জন্মাষ্টমী”/ “হ্যাপি দিওয়ালী/দেওয়ালী(ঠিক জানি না কি!)” এই ধরনের পোস্টে মুসলমান যদি নিঃসংকোচে লাইক দিতে পারে,তবে দ্বীনী পোস্টে তাদের সংকোচ হয় কেনো??
আচ্ছা,বুঝলাম,হয়তোবা তারা সব দ্বীনী বিষয়ক পোস্ট মেনে নিতে পারে না,কিন্তু কাফিরদের দিবস কি তারা মেনে নেয়?বিশ্বাস করে???
এতো আনইজি ফীল করে কেনো মানুষ?
এটা দেখে অভ্যাস হয়ে গিয়েছে যে,মুসলমানগণ নির্দ্বিধায় দাদা-দিদি-বৌদি,মাসী-পিসি ডাকে!
কিন্তু কিছুদিন আগে নতুন করে দেখলাম ,মুসলমানের মুখে, মা কে মাতৃদেবী ডাকতে!নাঊযুবিল্লাহ! দেবী কি মুসলমানদের সাথে যায়??আবার অনেকে তো পূনর্জন্ম বা জন্মান্তরবাদে বিশ্বাসী! এটিও তো মুসলিম ভাবধারার সাথে সম্পর্কযুক্ত কোনো বিষয় নয়!বরং এ ধরনের বিশ্বাস কুফরী ,ফলে এধরনের বিশ্বাসী কাফির! নাঊযুবিল্লাহ!!!
একটা পোপ তার লম্বা আলখাল্লা পড়ে থাকে,একটা নান তার হিজাবসহ লম্বা জামা পড়ে,একটা হিন্দু দৃষ্টিকটু ধূতি পড়ে এ যুগেও! যা দ্বারা তার শরীর ঢাকে না বললেই চলে!
অথচ মুসলমান লোকে কি মনে করবে!আমাকে কেমন দেখাবে!এ যুগে এসব পোশাক চলে নাকি…এসব বলে বলে নিজস্বতা থেকে দূরে সরে থাকে!
আমি যখন প্রথম সুন্নতী জামা পড়ি,আমারই এক ফ্রেন্ড বলেছিলো,”তাইলে তো বোরকা পড়ার দরকার ছিলো না!” ফ্রেন্ডের উপর রাগ নাই,সে বুঝেনি বলেই ঐরূপ বলে ফেলেছিলো।
কিন্তু আমি তো সুন্নত চিনেছি,সে তো চিনতে পারেনি।
যারা সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছেন অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যদি সুন্নত মুবারক পালন করতে,ইলিম অর্জন করতে,তা’লীম দিতে যদি লজ্জা না পান,আমার তো পাওয়ার প্রশ্নই আসে না!
আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম উনি যদি জেরুজালেম দখল করার পর কাফেরদের সামনে সুন্নতী পোশাকে যেতে পারেন,দস্তরখানায় পড়ে যাওয়া রুটির অংশ টুকে টুকে খেতে পারেন সারা জাহানের শাসনকর্তা হয়েও,তাহলে আমি কোন ছার!!! যে শরীয়ত মুতাবেক চলতে লজ্জা পাবো!!!
আমার ফখর তো ,আমি যে মুসলমান তা প্রতি পদক্ষেপে,আমার চলনে-বলনে প্রকাশ করাতেই …।
আমি মুসলমান এটাই আমার শ্রেষ্ঠত্ব।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে